ads

শনিবার , ২৪ মে ২০১৪ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ফরমালিনযুক্ত আম রাজশাহীর বাজারে : প্রশাসন নিরব

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২৪, ২০১৪ ২:৩৮ অপরাহ্ণ

ammরাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীতে এবার আমের ফলন ভালো হবে না। মৌসুমের শুরুতে এবার রাজশাহীর অনেক গাছেই কাংক্ষিত মুকুল আসেনি। প্রাকৃতিক নিয়মে এক বছর আমের বাম্পার ফলন হলে পরের বছর ফলন হয় কম। গত বছর আমের ফলন হওয়ায় এ বছর আমের জন্য ‘অফ ইয়ার’। বাংলাদেশের বিখ্যাত আম একমাত্র রাজশাহীতে, আর এ আম রাজশাহীর বাজারে উঠতে শুরু করেছে আম। নিয়মমাফিক গুটি জাতের আম পাকলেও, অন্যগুলো রয়েছে অপরিপক্ব।আগাম বাজার ধরতে একশ্রেণীর মুনাফালোভী ব্যবসায়ী কৃত্রিম উপায়ে কাঁচা আম পাকিয়ে বাজারে তুলছেন।শুক্রবার রাজশাহীর অন্যতম আমের মোকাম পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরহাটে লখনা ও গুটি জাতের আম প্রতিমণ বিক্রি হয়েছে ১১শ থেকে ১৫শ টাকা দরে। তবে আমের ‘রাজা’ ল্যাংড়া, খিরসাপাত (হিমসাগর) ও গোপালভোগ পেতে এখনো অপেক্ষা করতে হবে দিন পনের। এরই মধ্যে নানান জাতের আমে সরগরম হয়ে উঠবে রাজশাহীর আম বাজার। এরপর আসবে ফজলি এবং সর্বশেষ আশ্বিনা আম।

Shamol Bangla Ads

বানেশ্বর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গুটি জাতের আম দিয়ে শুরু হয়েছে এ মৌসুমের আম বাজার। তবে গত বছরের তুলনায় বেশি দামে কেনাবেচা হচ্ছে এসব আম। ব্যবসায়িরা বলছেন, আগামী জুন মাসের পুরো সময় ধরেই চলবে আমের রমরমা ব্যবসা। কিন্তুতবে নানান কারণে এবার তুলনামূলকভাবে ফলন কম হওয়ায় ব্যবসাও কম হবে বলে ধারণা করছেন অনেকেই।জেলার বানেশ্বর বাজারের আম ব্যবসায়ী আসলাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার বাজারে গুটি আমের পাইকারি দর ছিলো প্রতিমণ ১১শ টাকা। শুক্রবারও ওই দামেই কেনাবেচা হয়েছে। গতবছরের চেয়ে এবার প্রতি কেজি আমের দাম বেড়েছে প্রায় দশ টাকা। বানেশ্বর বাজারের আরেক আম ব্যবসায়ী জুলফিকার আলী জানান, এখন লখনা আম বিক্রি হচ্ছে ১৩শ থেকে ১৪শ টাকা মণ দরে। আর অধিক মুনাফার আশায় অপরিপক্ব আম বাগান থেকে ভেঙে (পেড়ে) ক্ষতিকর কেমিক্যাল পাকাচ্ছেন ব্যবসায়িরা। পরে সেগুলো বাজারে তুলছেন। এতে রাজশাহীর আমের ঐতিহ্য অনেকাংশে নষ্ট হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, দোরগোড়ায় আম চলে আসায় ব্যস্ততা বেড়েছে রাজশাহী নগরীর ফল ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের। মৌসুমি আম ব্যবসায়ীরা ঘর ভাড়া নিয়ে অপেক্ষা করছেন আমের জন্য। নগরীর স্বর্ণপট্টির অনেক স্বর্ণব্যবসায়ী কয়েক মাসের জন্য স্বর্ণ ব্যবসা বন্ধ রেখে আম ব্যবসায়ীদের দোকান ভাড়া দিয়ে দিয়েছেন।সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছরের মতো। গত বছর কৃষি বিভাগ ৮ হাজার ৯৮৬ হেক্টর আমবাগানে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৮৮ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলো। কিন্তু অর্জন হয়েছিলো লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুন। গত বছর ১৪ হাজার ৫ হেক্টর আমবাগানে আম উৎপাদন হয়েছিলো ২ লাখ ১২ হাজার ৭শ ৬৭ মেট্রিক টন।কৃষি বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজশাহী জেলায় ১৪ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে বর্তমানে আম গাছ রয়েছে ১৪ লাখ ২১ হাজার ৫শ ৩টি।
রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলীম উদ্দীন জানান, বৈশাখ থেকে শুরুকরে জ্যৈষ্ঠ মাসের এ পর্যন্ত রাজশাহীতে তেমন বৃষ্টিপাত হয়নি। তাই অনেক বাগানে গুটি আম ঝরে গেছে। তবে পরামর্শ অনুযায়ী অনেক বাগান মালিক বাগানে সেচ দিয়েছেন। তারা ভালো ফলন পাবেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!