ads

বৃহস্পতিবার , ২২ মে ২০১৪ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি প্রায় বিলুপ্তির পথে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২২, ২০১৪ ১২:৫২ অপরাহ্ণ

Atrai News Photo 17-05-2014তাপস কুমার, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি : গ্রাম-বাংলার ঘরে ঘরে এক সময় ঢেঁকিতে ধান ভাঙ্গার দৃশ্য চোখে পড়তো। ঢেঁকি নিয়ে জনপ্রিয় গান ও প্রবাদ বাক্যও রচিত হয়েছিল।

Shamol Bangla Ads

যেমন ও ধান ভাঙ্গিরে ঢেঁকিতে পাড় দিয়া /ঢেঁকি নাচে আমি নাচি হেলিয়া-দুলিয়া ও ধান ভাঙ্গিরে । গানটি এক সময় খুবই জনপ্রিয় ছিল। আর এখনও তো অনেকেই বলে থাকেন ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। ঢেঁকিকে নিয়ে গান ও প্রবাদ প্রচলিত থাকলেও ঐতিহ্যবাহী সেই ঢেঁকি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।
এক সময়ে গ্রাম বাংলায় বহুল ব্যবহৃত এই উপকরনটি হারিয়ে যেতে বসেছে। কালের বিবর্তনে যান্ত্রিক আবির্ভাবে জন্য ঢেঁকি আজ বিলুপ্ত অবস্থা প্রায়। এখন আর গ্রাম বাংলায় ঢেঁকিতে ধান ভানার দৃশ্য চোখেই পড়ে না, শোনা জায়না ঢেকির ধুপধাপ শব্দ। শহরে তো বটেই, আজকাল অনেক গ্রামের ছেলে-মেয়েরাও ঢেঁকি শব্দটির কথা জানলেও বাস্তবে দেখেনি। অনেকের কৌতুহল কেমন করে মেশিন ছাড়া ধান থেকে চাল বের করা হতো? আসলে ধানের তুষ ছাড়িয়ে চাল বানানোই ছিল ঢেঁকির কাজ। ঢেঁকি হচ্ছে কাঠের তৈরি কল বিশেষ। প্রাায় ৬ ফুট লম্বা ও ৯ ইঞ্চি ব্যাসবিশিষ্ট একটি ধড় থাকে ঢেঁকিতে। মেঝে থেকে ১৮ ইঞ্চি উচ্চতায় ধড়ের একেবারে সামনে দুই ফুট লম্বা একটি গোল কাঠ থাকে। এটাকে মৌনা বলা হয়। দু’টি বড় কাঠের দন্ডের ভেতর দিয়ে একটি ছোট হুড়কা হিসেবে কাঠের গোলাকার খিল থাকে। এভাবেই তৈরি ঢেঁকি দিয়ে এক সময় ধান ভাঙ্গার কাজ হতো ব্যাপকভাবে। ঢেঁকি দিয়ে শুধু ধান থেকে চালই নয়, পিঠা তৈরির জন্য চালের গুড়াও তৈরি করা হতো। এক সময় গ্র্রামে গ্রামে নতুন ফসল তোলার পর এবং পৌষ সংক্রান্তিতে ঢেঁকির শব্দে মুখরিত হয়ে উঠতে গ্রামের অধিকাংশ বাড়ি। গ্রামের সমভ্রান্ত বাড়িগুলোতে ঢেঁকিঘর হিসেবে আলাদা ঘর থাকত। গৃহস্থ বাড়ির মহিলারা ঢেঁকির মাধ্যমে চাল তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় কাটাতেন। গরিব মহিলারা ঢেঁকিতে শ্রম দিয়ে আয়-রোজগারের পথ বেছে নিতেন। এক সময় ঢেঁকিতে কাজ করাই ছিল দরিদ্র মহিলাদের আয়ের প্রধান উৎস। আধুনিক যুগে সেই ঢেঁকির জায়গা দখল করে নিয়ে বিদ্যুৎ চালিত মেশিন (ধান ভাঙ্গার চাল কল)। এর মাধ্যমে মানুষ এখন অতি সহজেই অল্প সময়ে ধান থেকে চাল পাচ্ছে। গ্রামে গ্রামে বসেছে চাল তৈরির কল। হাতের কাছে বিভিন্ন যন্ত্র আর প্রযুক্তি সহজলভ্য হওয়ায় ঢেঁকির মত ঐতিহ্যবাহী অনেক কিছুই এখন হারিয়ে যাচ্ছে। এক সময় হয়তো সে সবের দেখা মিলবে কেবল জাদুঘরে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!