ads

বৃহস্পতিবার , ২৪ এপ্রিল ২০১৪ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রাজীবপুরে অসময়ে ব্রহ্মপুত্রের ভয়াবহ ভাঙ্গন : ভাঙ্গনরোধে এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সহায়তা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২৪, ২০১৪ ৭:২০ অপরাহ্ণ
রাজীবপুরে অসময়ে ব্রহ্মপুত্রের ভয়াবহ ভাঙ্গন : ভাঙ্গনরোধে এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সহায়তা

SAM_0019জিয়াউর রহমান জিয়া,রাজীবপুর (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের নয়ার চর এলাকায় অসময়ে হঠাৎ করেই ব্রহ্মপুত্রের ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গতকাল পর্যন্ত নয়ারচর উত্তরপাড়া, ব্যাপাড়িপাড়া ও মন্ডলপাড়া তিনটি গ্রাম বিলীন হয়ে গেছে। ব্রহ্মপুত্র নদ ওই তিন গ্রামের প্রায় একশ’ ঘরবাড়ি গ্রাস করেছে। আংশিক ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে নয়ারচর হাজিপাড়া ও দিয়ারার চর গ্রাম। ভাঙ্গনে তছনছ হয়ে গেছে দিয়ারারচর সেতু এবং রাজীবপুরের সঙ্গে একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা সড়কটিও। দিয়ারার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ভাঙ্গনের দূরত্ব এখন ৫শ’ গজের মতো।

Shamol Bangla Ads

গতকাল কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাংসদ সদস্য মো: রুহুল আমিন ও রাজিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: শফিউল আলম নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন । পরিদর্শন শেষে
এই এলাকার জনগনের সাথে মতবিনিময় করেন। পরে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে এলাকা রক্ষা করার
জন্য নদীতে বাঁশের পাইলিং দেওয়ার কথা বলেন এমপি । এসময় ভাঙনরোধে সহায়তা ৩ লক্ষ টাকা সহায়তা প্রদানের কথাও বলেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় দুই কিলোমিটার জুরে চলছে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গন। দিয়ারার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুইদিনে যে হারে ভাঙ্গছে তা অব্যাহত থাকলে ভাঙ্গনে হারিয়ে যাবে স্কুলটিও। নদীতে পানি কম থাকলেও ভাঙ্গনের তীব্রতা ছিল বেশি। এতে বড় বড় চাপ ভেঙ্গে পড়েছে নদীতে।

Shamol Bangla Ads

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনের শিকার সাত্তার বলেন, ‘মেলা নদী ভাঙ্গা দেখছি। কিন্তু নদীতে পানি নাই তারপরও ভাঙ্গন এত ভয়ঙ্কর হয় দেহি নাই। ঘর ভাইঙ্গা নিয়া যাওয়ারও সময় পাই না। আমার ঘর ভিটেমাটি সব শ্যাষ হইয়া গেছে।’ এসময় নদী ভাঙ্গা আইজুদ্দিন বলেন, ‘দেখতি দেখতি চোখের সামনে কিভাবে বাড়ি ঘর ভাইঙ্গা গেল।’ তাদের মতো প্রায় একশ’ পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে অন্যত্র চলে গেছে।

মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের সদস্য নুরুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন থেকেই ব্রহ্মপুত্র ভয়াবহ রূপ ধারণ করছিল। রাজীবপুর শহরের সঙ্গে একমাত্র যোগযোগের মাধ্যম সড়কটির কিছু অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আনু জানান, ভাঙ্গনের এ খবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!