লিয়াকত হোছাইন লায়ন, ইসলামপুর (জামালপুর) : প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের অভাবে পল্লী বিদ্যুৎ এর সেচ সংযোগ না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ইসলামপুর, মেলান্দহ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ৩ শতাধিক আবেদনকারী। দীর্ঘদিন ঘুরেও বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ায় ওইসব এলাকার কৃষকের প্রায় ২শ একর জমির বোরো ক্ষেত পানির অভাবে ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে, জামালপুর জেলা একটি সেচ প্রধান এলাকা। সেচের উপর নির্ভর করে কৃষকদের চাষাবাদ-ফসল উৎপাদন। জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ইসলামপুর জোনাাল অফিসের আওতায় বর্তমানে ১ হাজার ৪শ সেচ গ্রাহক রয়েছে। চলতি বোরো মৌসুমের শুরুতেই ইসলামপুর, মেলান্দহ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় সেচ সংযোগের জন্য নতুন আবেদন করে ৩৭৬ জন কৃষক। যথাযথ নিয়ম মেনে সেচ সংযোগের জন্য এসব কৃষক আবেদন করলেও রহস্যজনক কারনে সংযোগ পাচ্ছেন না তারা।
বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার আশায় আবেদনকারী কৃষকরা সোনার ফসল ফলাতে মাঠে ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিন দিয়ে আবাদ শুরু করলেও পানির প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে তাদের বোরোর জমি ফেঁেঁট চৌচির হচ্ছে।
মৌসুম শুরুর আগে আগে সেচ সংযোগের জন্য আবেদন করলেও মৌসুমের শেষ পর্যায়ে এসও তাদের সেচ সংযোগ না পেয়ে দিশেহারা হয়েছে আবেদন কারী চাষীরা। সময়মত ক্ষেতে পানি দিতে না পারায় অনেক ক্ষেতেই ধানের মরা শীষ বের হচ্ছে। লালচে হয়েছে বোরোর ক্ষেত। পানির জন্য বোরো চাষীরা শ্যালো মেশিনগুলোতে ভিড় করলেও মেশিন মালিকরা কৃষকের চাহিদা পূরণ করতে পাচ্ছেন না।
সেচ সংযোগের জন্য কৃষকরা ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ এর জোনাল অফিসে প্রতিনিয়ত ধর্ণা দিলেও রহস্যজনক কারনে নড়ছে না ফাইল।
এব্যাপারে ইসলামপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দাবি প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের অভাবে সেচ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে দ্রæত সংযোগ দেয়ার আশ্বাস দেন ইসলামপুর জোনাল অফিসের উপ মহা ব্যবস্থাপক আবু বকর শিবলী।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রæত সেচ সংযোগ দিয়ে কৃষকের মূখে হাসি ফুটাবেন- মনটাই প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী আবেদনকারী কৃষকরা।




