ads

রবিবার , ১৩ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

হারিয়ে যাচ্ছে হালখাতা উত্সব

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ১৩, ২০১৪ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

Halkhta-এম, এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : বৈশাখ কে সামনে আগে হালখাতা উত্সবের কার্ড ছাপা হতো। কার্ডে হিন্দু ব্যবসায়ীদের জন্য মাটির সরাতে কলাগাছের পাতা, ডাব এবং উপরে হিন্দু দেবতা গণেশের ছবি থাকতো। অনুরূপভাবে মুসলিম ব্যবসায়ীদের কার্ডে থাকতো মসজিদের মিনার। এ উভয় রীতির মধ্যেও ছিল হালখাতার আমন্ত্রণ। কিন্ত এখন আর নীলফামারীর গ্রাম-গঞ্জে হালখাতার কার্ড খুব একটা ছাপা হয় না। বাংলা বছরের প্রথম দিনে এ উৎসবও খুব একটা পালন হয় না। অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলা নববর্ষের প্রাণ এ উৎসব। তবে নিছক ঐতিহ্য হিসেবে জেলা ও উপজেলা শহরের গুটিকয়েক হিন্দু ব্যবসায়ী এ উৎসব পালন করেন। পয়লা বৈশাখে নতুন হিসাবের পাতা খুলেন। জানা গেছে, নীলফামারীর গ্রামে-গঞ্জে আগে বেশ ঘটা করেই হালখাতা উৎসব হতো। দোকানে সাজ-সজ্জার পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা তাদের পাওনাদারদের কাছ থেকে বকেয়া টাকা আদায় করে নতুন হিসাবের খাতা খুলতেন। বিগত বছরের বকেয়া পরিশোধের মাধ্যমে ক্রেতা- বিক্রেতা সম্পর্কের নবায়ন হতো। এ সময় তাদের লুচি আর রসগোল¬া দিয়ে আপ্যায়ন করা হতো। এখন আর সেই দিন নেই। নীলফামারী জেলায় এবারে পয়লা বৈশাখে হালখাতা উৎসব হয়েছে অনেকটা নীরবে। হাতেগোনা কয়েকজন কার্ড ছাপিয়ে, আর বাকিরা মুঠোফোনে কল করে কিংবা ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে। বাংলা বছরের প্রথম দিনে হালখাতা উৎসব করা ক্ষুদে ব্যবসায়ী বলেন, “কার্ড ছাপানো বাড়তি ঝামেলা। এ কারণে মোবাইলে কাস্টমারদের মিষ্টি খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি। ”নববর্ষের প্রথম দিনে হালখাতা উৎসব না হওয়ার কারণ জানিয়ে বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, “এক সাথে সবাই হালখাতা করলে সব বকেয়া উঠে না। সবাই পাওনা পরিশোধ করে না।”এ কারণে বৈশাখের শেষের দিকে কৃষকের ঘরে নতুন ফসল উঠার পর এবং বছরের সুবিধাজনক সময়ে হালখাতা উৎসব হচ্ছে। তবে ঐতিহ্য হিসেবে বছরের প্রথম দিন হালখাতা উৎসব করেন অনেক ব্যবসায়ী। তারা জানান, বছর বছর ধরে এ উৎসব করছি। এখন মোবাইলেই সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই। ক্রেতার সঙ্গে ভোক্তার সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় করার জন্য দিনটি গুরুত্বপুর্ণ।”

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!