ads

শনিবার , ১২ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

এক সময়ের খরস্রোতা বড়াল নদী এখন ফসলের মাঠ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ১২, ২০১৪ ৩:২৬ অপরাহ্ণ

Rice-10নজরুল ইসলাম বাচ্চু, চারঘাট (রাজশাহী) : এক সময়ের খরস্রোতা বড়াল নদী শুকিয়ে এখন ফসলের মাঠে পরিনত হয়েছে। পদ্মার শাখা নদী বড়াল চারঘাট উপজেলা সদরে উৎপত্তি হয়ে চলনবিলের সাথে সংযুক্ত নন্দকুজাইল, কুমার, আত্রাই, গোমানী, ঈশাখাঁ প্রভৃতি নদীর সাথে সংযোগ রক্ষা করে পাবনার হুরা সাগরের সাথে মিশে যমুনায় গিয়ে মিলেছে।
দেশের দুটি বৃহত্তম নদী পদ্মা-যমুনার একমাত্র যোগসূত্র এই বড়াল নদী। বড়াল পদ্মা থেকে পানি নিয়ে যমুনাকে দান করে। পদ্মা থেকে যমুনা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ পথ পরিক্রমায় বড়াল পার্শ্ববর্তী এলাকাকে বিশাল পরিমান পানি উপহার দিতো। পদ্মায় যখন পরিপূর্ণ যৌবন বড়াল নদীতে তখন ২১ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হতো। কিন্তু উপজেলা সদরে বড়ালের উৎসমুখে রেগুলেটর নির্মান করায় বড়ালের স্বাভাবিক প্রবাহ মারাতœকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ৮ ফুট উচ্চতা, ২০ ফুট দৈর্ঘ্য তিনটি গেইট বিশিষ্ট মাত্র ৫ হাজার কিউসেক ডিসচার্জ সম্পন্ন রেগুলেটরটি কয়েক কোটি টাকা খরচ করে নির্মান করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। যার নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮৫ সালে। কিন্তু ডিজাইনে ত্র“টি, চারঘাট বাজারসহ নদীর দুই উপকুলে ভাঙন কিংবা অন্য কোন কারণে গেইটগুলো ৫ ফুটের বেশী উত্তোলন করা সম্ভব হয়না। ফলে তিন হাজার কিউসেকের বেশী পানি রেগুলেটর দিয়ে নির্গত হতে পারে না। বর্ষা মৌসুমে রেগুলেটরের ভাটির পানির উচ্চতা অপেক্ষা উজানের পানির উচ্চতা ১০/১২ ফুট বেশী থাকে।
রেগুলেটর নির্মানের আগে কোন কোন বছর নদীর দুই উপকুল প্লাবিত হওয়ায় একদিকে আবাদি জমির পোকা-মাকড় বিনষ্ট হতো। অন্যদিকে জমিতে পলি মাটি পড়ে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পেতো। কিন্তু রেগুলেটরের বিরূপ প্রভাবে ভরা মৌসুমেও পানি নদীর তলায় থাকায় বড়াল নদীর অববাহিকায় বিস্তীর্ণ কৃষি জমিতে পোকা-মাকড়ের উপদ্রব বৃদ্ধি ও জমির উর্বতা শক্তি হ্রাস পায়। বড়াল নদীতে মৎস্যজীবীরা মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করতো। পদ্মা বড়াল বিধৌত চারঘাটের সাথে নদী পথে বিভিন্ন এলাকার ব্যবসা বানিজ্য চলতো। কিন্তু রেগুলেটর নির্মানে নদীর উৎস্যমুখ বন্ধ হওয়া এবং পানির প্রবাহ হ্রাস পাওয়ায় শত শত জেলে বেকার হয়ে পড়ে। নদীপথে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি ও মৎস্য চাষের জন্য বড়াল নদীর ভাটিতে দয়রামপুরে একটি রেগুলেটর নির্মান করে জলাধার নির্মানের যে পরিকল্পনা ছিল তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। বরং রেগুলেটর নির্মাণের বিরূপ প্রভাবে বড়াল নদী শুকিয়ে আবাদি জমিতে পরিনত হয়েছে। কৃষি, পশু ও মৎস্য খাতে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!