ads

বৃহস্পতিবার , ১০ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসিনতা : নদী শাসনের অভাবে শেরপুর সীমান্তে প্রতি বছর ফসলহানিসহ কোটি কোটি টাকার সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ১০, ২০১৪ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ

Moharosiখোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী (শেরপুর) : নদী শাসনের অভাবে শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলায় প্রতি বছর ব্যাপক ফসলহানিসহ কোটি কোটি টাকা মূল্যের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। অথচ এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহল রয়েছেন একেবারেই উদাসীন।

Shamol Bangla Ads

গারো পাহাড়ের পাদদেশে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেষেঁ অবস্থিত অবহেলিত জনপদ ঝিনাইগাতী উপজেলা। ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় গারো হাজং, কোচ, বানাই, হুদি, বর্মণ, হিন্দু, মুসলিমসহ বিভিন্ন জাতিগোত্র মিলে প্রায় ২ লাখ লোকের বসবাস। কৃষি প্রধান এ উপজেলায় নদী-নালা ঝর্ণা রয়েছে ৭টি। ওইসব নদী ও ঝর্ণাগুলো হচ্ছে খরস্রোতা সোমেশ্বরী, মহারশি, কালঘোষা ও মালিঝি নদী। এছাড়া ঝর্ণাগুলো হচ্ছে অঞ্জনা, শীলঝোড়া ও মঙ্গলঝোড়া। ওইসব নদী ও ঝর্ণার উৎসস্থল ভারতে। একসময় সারা বছরই খরস্রোতা ওইসব নদী ও ঝর্ণাগুলোতে থাকতো অথৈই পানি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নৌকাযোগে নদীপথে কৃষি কাজে শ্রম বিক্রি করতে শতশত শ্রমিক এখানে আসতো। কিন্তু জলবায়ূ পরিবর্তন আর নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, পাহাড় কেটে পাথর উত্তোলনসহ নানা কারনে নদ-নদী গুলো আজ মৃতপ্রায়। চৈত্র-বৈশাখ মাসেতো দূরের কথা, বছরের প্রায় সময়ই নদীগুলো থাকে পানিশূণ্য। নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ার কারনে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ী ঢলের পানি নদীর দু’কূল ছাপিয়ে ফসলি জমিতে প্রবেশ করে। অনেক সময় নদীর পাড় ভেঙ্গে শতশত একর জমিতে বালুর স্তর পড়ে ফসলসহ ফসলি জমি নষ্ট হয়ে যায়।
ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কোরবান আলী জানান, প্রতিবছর পাহাড়ী ঢলের পানিতে এ উপজেলায় প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষতি হয় পানিতে ডুবে শতশত পুকুরের বিপুল পরিমাণ মৎস্য সম্পদের। এছাড়া ঘর-বাড়ি, গাছপালা, শাক-সবজির বাগানসহ কোটি কোটি টাকা মূল্যের সম্পদেরও ক্ষতি সাধিত হয়। অভিজ্ঞ মহলের মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ড এ উপজেলার নদীগুলোর সুষ্ঠু শাসনের ব্যবস্থা করলে প্রতি বছর ব্যাপক ফসলহানিসহ কোটি কোটি টাকার সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে ভুক্তভোগিরা।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!