মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের ধলই চা বাগানে পরিত্যক্ত একটি নতুন পুকুরের খননকালে আরো ৪টি অবিষ্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। জন নিরাপত্তায় পুলিশ পুকুর খনন কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। গত ৯ দিনে এই পুকুর থেকে মোট ৬টি অবিষ্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তবর্তী ধলই চা বাগানের শিতলাদেবী পুকুর নামে একটি পরিত্যক্ত পুকুর খনন কালে গত ৩০ মার্চ চা শ্রমিকরা মাটির নিচ থেকে প্রথমে একটি গ্রেনেড উদ্ধার করে কমলগঞ্জ থানায় জমা করে। পরে একদিন পর মঙ্গলবার আবারও একটি গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় পুকুর খনন কালে চা শ্রমিকরা একসাথে আবারও ৪টি অবিষ্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করে ¯’ানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে থানা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
মাধবপুর ইউপি চেয়ারম্যান পুষ্প কুমার কানু বলেন, গ্রেনেডগুলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ধলই চা বাগানে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর একটি শক্ত ঘাটি ছিল। ধারণা করা হ”েছ সে সময়কার অবিষ্ফোরিত গ্রেনেডগুলো মাটি চাপা ছিল। এই ধলই সীমান্তে ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর তারিখে সিপাহী হামিদুর রহমান সম্মুখসমরে শহীদ হন।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মোঃ এনামুল হক গ্রেনেড উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গ্রেনেডগুলো আপাতত পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুকুরের মাটির নিচে আরও গ্রেনেড থাকার সম্ভাবনা থাকায় চা বাগানের জননিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আপাতত এ পুকুর খনন কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।




