নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দীগ্রামে মুকুলে ভরে গেছে আমগাছ। বসন্তকালের শুরুতেই আমগাছে আমের মুকুল ধরে। এখন বসন্তকাল চলছে। তাই মুকুলে ভরে গেছে প্রত্যেকটি আমগাছ। অনেক আমের গাছের দিকে তাকালে পাতার চেয়ে মুকুলই বেশি লক্ষ্য করা যায়। ধীরে ধীরে আমের মুকুল থেকে আমের গুটি বড় হতে চলছে। জ্যৈষ্ঠ মাসকে বাংলাদেশে মধুমাস হিসেবে বলা হয়। মধুমাসের ঐতিহ্যই হচ্ছে আম ও কাঁঠাল। দু’মাস পর আসছে সেই মধুমাস। মধুমাসেই গাছ থেকে পাকা আমপাড়া হয়। বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় প্রায় ১০ লাখ আমের গাছে মুকুল ধরেছে। নন্দীগ্রাম উপজেলা স্টাফ কোয়ার্টারে প্রায় ১শ’ আমের গাছ রয়েছে। সে সব গাছে আমের মুকুলের অপরূপ শোভা লক্ষ্য করা যায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিজিৎ রায় আমগাছের মুকুল ধরে রাখতে সব ধরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। নন্দীগ্রাম শিল্প ও বণিক সমিতির প্রয়াত সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম বুলুর প্রতিষ্ঠিত কালিকাপুরে আমবাগানেও ব্যাপক মুকুল ধরেছে। তার ছেলে ব্যবসায়ী মো.বদরুদ্দোজা আল তৌফিক সে বাগানের পরিচর্যা করছে। অপরদিকে নন্দীগ্রাম-সিধইল রাস্তা সংলগ্ন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আ.রাজ্জাক বাবুর আমবাগানেও ব্যাপক আমের মুকুল ধরেছে। সেও তার বাগানের ব্যাপক পরিচর্যা করছে, বলে তিনি জানান। প্রত্যেক আমগাছের মালিকরা তাদের আমগাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছে। গাছপাকা আম খেতে খুব মজালাগে। তাই আমগাছের পরিচর্যা করতে কেউ ভূলে যায় না। এখন আর সুধু রাজশাহী-চাঁপাই নবাবগঞ্জের আমের ওপর নন্দীগ্রাম উপজেলা বাসী নির্ভর করেনা। নন্দীগ্রামেও আম্রপলি, খীরসাপাতসহ নানা ধরণের আমের গাছ রয়েছে। সে সব গাছে মিষ্টি আম ধরে। পাকা আমের জন্য আর দু’মাস অপেক্ষা করতে হবে।




