ads

রবিবার , ৫ জুলাই ২০২৬ | ২১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

তেহরানে খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ৫, ২০২৬ ৩:১৪ অপরাহ্ণ

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (০৫ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত এ জানাজায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়েছে। এতে ইরানের অন্যতম শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি ইমামতি করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, জানাজার নামাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই মোসাল্লার প্রধান চত্বর কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। জানাজার পর সোমবার তেহরানে এবং মঙ্গলবার পবিত্র শহর কোমে শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর খামেনির মরদেহ আরও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ইরাকের নজফ ও কারবালা শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। পরে বৃহস্পতিবার দাফনের জন্য মরদেহ ইরানের মাশহাদ শহরে ফিরিয়ে আনা হবে।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি কে ছিলেন?
ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সাল থেকে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেন। পাহলভি রাজতন্ত্রের অবসান ঘটানো ইসলামী বিপ্লবের আদর্শিক নেতা ছিলেন খোমেনি। অন্যদিকে, সেই বিপ্লবের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামো গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন খামেনি।

Shamol Bangla Ads

খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। তার শাসনামলের শুরুতেই এত বড় রাষ্ট্রীয় আয়োজন হতে যাচ্ছে। যদিও সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এখনো প্রকাশ্যে আসেননি। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শিয়া শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের প্রাক্কালে তিনি রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।

ইরাকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন।

খামেনি ইরানের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করেন। পাশাপাশি বহির্বিশ্বের হুমকি মোকাবিলায় একটি উন্নত প্রতিরক্ষা কৌশল প্রতিষ্ঠা করেন। তার শাসনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ আসে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। সে সময় অর্থনৈতিক দুর্দশাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশব্যাপী অস্থিরতায় রূপ নেয়। পরে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হন। সূত্র: আইআরএনএ

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!