কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে মামলা সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষরা ৪ মহিলাকে মারপিট, বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে ৫টি পরিবারকে গ্রামছাড়া করেছে। আহত ৪ মহিলাকে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ক্ষতিগ্রস্থ বাড়িঘর পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কিসমত সানতলা গ্রামের মৃত জব্বার গাজীর ছেলে শওকত গাজীর জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর সকালে একই গ্রামের মৃত জয়নাল ধাবকের ছেলে জহিরুল ইসলাম ধাবক গংদের সাথে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় রজব আলী গাজী বাদী হয়ে জহিরুল ইসলাম ধাবক গংদের ৭জনের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার নং-৩। এ মামলায় পুলিশের গ্রেফতার আতঙ্কে জহির উদ্দীন ধাবক গংরা দেড় মাস ধরে বাড়ি থেকে পালিয়ে জীবন যাপন করছে। গত ২৭ জানুয়ারী জহিরুল ইসলাম ধাবক গংরা ওই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও প্রতিপক্ষের ভয়ে বাড়িতে উঠতে সাহস পায় না। এ সুযোগে রজব আলী, আহাদ আলী, ফারুখ হোসেন, রায়হানসহ ৮/১০ জন যুবক বাঁশের লাঠি, লোহার রড ইত্যাদি অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ২ফেব্র“য়ারী দুপুরে জহিরুল ইসলাম ধাবকের বাড়ি প্রবেশ করে তার স্ত্রী শাহিদা বেগম ভাই বোউ সালেহা বেগম, রেহেনা বেগম ও পারভীনা বেগমকে মারপিট করে তাড়িয়ে দিয়ে ৫টি বসত বাড়ি ভাঙচুর লুটপাট করে ২ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। এ ঘটনায় জহিরুল ইসলাম ধাবকের স্ত্রী শাহিদা বেগম বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামী করে রোববার থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার মেম্বার আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানান, থানায় মামলা হওয়ার কারনে জহিরুল ইসলাম ধাবক গংরা দেড়মাস ধরে স্বপরিবারে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ মামলায় তারা জামিন পেলেও প্রতিপক্ষের ভয়ে তারা বাড়িতে উঠতে পারছে না। ফলে ৫টি পরিবারের ২০জন সদস্য পথে পথে রাত কাটাচ্ছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার এস আই নাসিরউদ্দীন বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। যারা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




