গত ২৪ ঘন্টায় ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় শেরপুরে কমতে শুরু করেছে পাহাড়ি ঢলের পানি। ১০ জুলাই শুক্রবার সকাল থেকে জেলার প্রধান নদনদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেলে নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার, ভোগাই নদীর পানি নাকুগাও পয়েন্টে ৩৩৩ সেন্টিমিটার ও নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ২২০ সেন্টিমিটার এবং সদর উপজেলার পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৩৭০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ঝিনাইগাতী ও সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে ফসলি জমিতে কোনো আবাদ না থাকায় কৃষকদের তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
এদিকে গতকাল টানা বর্ষণ ও উজানে ভারত থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে শেরপুর-নালিতাবাড়ী ভায়া গাজীরখামার সড়কের গোল্লারপাড় এলাকায় প্রায় ৩০ মিটার অংশ বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই সড়কে চলাচলকারী যানবাহন চালকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। সড়কটি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলজিইডিকে দ্রুত মেরামতের নির্দেশনা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। একইসাথে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল মোকাবেলায় জরুরি সহায়তাসহ প্রস্তুত রয়েছে জেলা প্রশাসন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী জানান, নদীগুলোর বাঁধে ভাঙন দেখা দিলে জরুরি মেরামতের জন্য জিও ব্যাগ প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন জানান, আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় শুকনো খাবারসহ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া ভাঙা সড়কটি দ্রুত মেরামতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।




