পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার পাইকগাছায় চিংড়ি ঘেরের বিরোধকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু পরিবারের বসত বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ঘের মালিকসহ ১২জনকে আসামী করে আদালতে মামলা করা হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য লতা ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লতা ইউনিয়নের পানা মৌজায় ৪৫০ বিঘার চিংড়ি ঘের নিয়ে ঘের মালিক উত্তর সলুয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার সরদারের পুত্র এস,এম, রফিকুল ইসলামের সহিত স্থানীয় বিকাশ চন্দ্র হালদার গংদের সাথে বিরোধ চলে আসছে। ২০১৩ সালে চিংড়ি ঘেরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় স্থানীয়রা চলতি বছরের শুরুতেই ৪৫০ বিঘা চিংড়ি ঘেরের মধ্য থেকে প্রায় ১৫০ বিঘার দখল বুঝে নেয়। পরবর্তীতে বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটনার দিন গত ১১ জানুয়ারী দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে প্রতিপক্ষ ঘের মালিকের লোকজন পানা গ্রামের মৃত রামচরণ হালদারের পুত্র জনেক চন্দ্র হালদারের বসত বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ভূক্তভোগী পরিবারের বসত বাড়ির ঘরের চালসহ আসবাবপত্র পুড়ে ভূস্মিভূত হয়। এ ঘটনায় গত ১৯ জানুয়ারী জনেক চন্দ্র হালদারের পুত্র বিকাশ চন্দ্র হালদার বাদী হয়ে ঘের মালিক এস,এম, রফিকুল ইসলাম সহ ১২জনকে আসামী করে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামা করে। যার নং- সি,আর ৩০/১৪। উলেখ্য, দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে থানা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।




