মশিউর রহমান পিংকু, ভোলা : ১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৪৮ ঘন্টার অবরোধের প্রথম দিনে ভোলার ২১টি রুটে বাস ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ভোলা থেকে প্রতিদিন ২ টি করে লঞ্চ ঢাকা আর ঢাকা থেকে ২টি করে লঞ্চ ছেড়ে আসে ভোলায়। মঙ্গলবার ভোর থেকে জোটের নেতা-কর্মীরা এ সকল রুটে অবস্থান নিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সকাল থেকে ভোলা-চরফ্যাশন সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ১৮দলীয় জোটের নেতা কর্মীরা রাস্তায় গাছ ফেলে ও টায়ারে অগ্নি সংযোগ করে জেলার সাথে বরিশাল, কুমিল্লা, খুলনা, ঢাকা, চট্রগ্রাম, বেনাপোল, যশোর, সিলেট ও চরফ্যাশন থেকে অভ্যন্তরীন রুট চেয়ারম্যান বাজার শশীভূষন, দক্ষিণ আইচা, বাবুর হাট, দুলার হাট ও হাজির হাট রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় যুবদল সহ-সম্পাদক ও জেলা যুবদল সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম কায়েদের নেতৃত্বে সদর উপজেলার পানের আড়ৎ ও বেপারী বাজার এলাকায় বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা রাস্তায় গাছ ফেলে ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। এদিকে ১৮ দলীয় জোটের নেতা কর্মীরা ভোর থেকে চরফ্যাশনের বেতুয়া থেকে ঢাকা, শশীভূষন থেকে ঢাকা, ঘোষের হাট থেকে ঢাকা, কলমীর বখশী থেকে বরিশাল চলাচলকারী লঞ্চগুলোর চলাচল বন্ধ করে দেয়। কোন ধরনের নৌ-যান চলাচল করছে না ঢাকা ভোলা রুটে। অপরদিকে ভোলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জামিল হোসেন ওদুদের নেতৃত্বে কয়েক’শ নেতা-কর্মী ভোলার লঞ্চ টার্মিনালে অবস্থান করে ভোলা বরিশাল রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়। বাস মালিক সমিতির নেতা নুরুল ইসলাম হাওলাদার জানান, ১৮ দলীয় জোটের অবরোধের কারনে নাশকতার আশংকায় ভোলা ও চরফ্যাশন থেকে দূরপাল্লার অভ্যন্তরীন ১৬টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।




