রামগঞ্জ (ল²ীপুর)প্রতিনিধি : রামগঞ্জ পৌর শহরস্থ রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও রামগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সহ উপজেলার সকল বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা এসএসসি ও আলিম পরীক্ষার্থীদের ফরম পুরণে নানা অজুহাত দেখিয়ে বোর্ডের নির্ধারিত ফির চেয়ে ৩/৪ গুন বেশি অতিরিক্ত ফি আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত ফি নেওয়ার কারনে গতকাল সোমবার উপজেলার লামচর উচ্চ বিদ্যালয়ে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ের শ্রেনী কক্ষে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষক ও কর্মচারীদেরকে অবরুদ্ধ রাখে।
জানা গেছে, শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি বিষয়ে ৬০ টাকা,ব্যবহারিক ৩০টাকা,একাডেমিক ৩৫ টাকা,সনদ ১০০ টাকা,রেজিস্ট্রেশন ১০০ টাকা,স্কাউট ১৫ টাকা,শিক্ষা সপ্তাহ ৫ টাকা,বিশেষ অনুমতি ফি ১৫০ টাকা করে আদায় করতে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রামগঞ্জ বেসরকারী উচচ বিদ্যালয়, রামগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দরবেশ পুর উচ্চ বিদ্যালয়,ভাদুর উচ্চ বিদ্যালয়,পানিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়, শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়,মাঝির গাঁও কেএম ইউনাইেিটড একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়, লামচর উচ্চ বিদ্যালয়, নিচহরা সমাজ কল্যান উচ্চ বিদ্যালয়,জয়পুরা এস আর এম এস উচ্চ বিদ্যালয়,কাওয়ালীডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়,নোয়াগাঁও জনকল্যান উচ্চ বিদ্যালয় ,সাউদেরখিল উচ্চ বিদ্যালয়,জিয়াউল হক জিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়,নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়,মাছিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়,চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,পানপাডা উচ্চ বিদ্যালয়,শাহজকি উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়,গাজীপুর রাজ্জাকিয়া জনকল্যান উচ্চ বিদ্যালয়,টিওরী উচ্চ বিদ্যালয়,দল্টা রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়,লামনগর একাডেমী,দাসপাডা উচ্চ বিদ্যালয়,হোটাটিয়া উচ্চবিদ্যালয়,কাঞ্চনপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থীদের ফরম পুরনে সর্বনিম্ম ৩ হাজার৫০০শত টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা করে আদায় করছে বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রধান শিক্ষক জানান,বিগত দিনের বকেয়া,কোচিং ফি,বিবিধ ও ফরম পুরন ফি,মিলাদ-মাহফিল,বিদায় অনুষ্ঠানসহ একত্রে আদায় করা টাকার অংক বেশি হচ্ছে।
লামচর উচ্চ বিদ্যালয়ে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী ও অবিভাবকেরা জানান,বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা নানা অজুহাতে এসএসসি ফরম পুরনে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সর্বনিম্ম ৩৭ শত থেকে ৬ হাজার টাকা করে আদায় করছে। অবিভাবক রুহুল আমিন বলেন,আমার পুত্র সুমন হোসেন ৬ বিষয় ফেল করার কারনে শিক্ষকেরা ৪ হাজার টাকা নিয়ে ফরম পুরন করে করেছে। আরেক অবিভাবক আবদুল মন্নান বলেন,আমার মেয়ে ৬ বিষয় ফেল করার কারনে ৬ হাজার টাকা নিয়ে গেলেও শিক্ষকেরা ফরম পুরন করেনি। শিক্ষার্থী নাহিদা আক্তার,রহিমা আক্তার বর্ষা বলেন, শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট না পড়ার কারনে আমাদেরকে একাধিক বিষয় ফেল দেখায়। বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ সেলিম পাটওয়ারী বলেন,বোর্ডের বাহিরে কোন ফি নেওয়া হয়নি। স্বার্থন্বেষী মহল এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে। ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি আবুল খায়ের ভূইয়া বলেন,ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ফি আদায় করা হচ্ছে।




