ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : ডুমুরিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে রোপনকৃত বন বিভাগের ১০/১৫ টি বাবলা গাছের ডাল প্রভাবশালী দুই ব্যাক্তি জোর করে কেটে নিয়েছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে ওই বনের সভাপতি বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২৫ নং পোল্ডারে পানি উন্নয়ন বোর্ড’র অধীনে ও বন বিভাগের সহযোগিতায় গোনালী গ্রামের ৩৭জন উপকারভোগী বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করে বনায়ন প্রকল্প শুরু করে। বাগানে বাবলা, শিরিশ ও অর্জুনসহ নানা প্রজাতির গাছ বড় হয়েছে। হঠাৎ গত ১৮ অক্টোবর শনিবার সকালে উপজেলার গোলনা গ্রামের মৃত মালেক খাঁর ছেলে মোজাম খাঁ (৪০) ও মেছাঘোনা গ্রামের নুরু খাঁর ছেলে আমিনুর খাঁ জোর করে ১০/ ১৫ টি বাবলা গাছের ডাল কেটে নিয়েছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে বাগানের সভাপতি আঃ ছামাদ শেখ জানান, মোজাম ও আমিনুর জোর করে গাছের ডাল কেটে অপদার ওপর জড়ো করে রেখে গেছে এবং পরে এসে নিয়ে যাবে বলে পাশের এক মহিলাকে জানিয়ে চলে যায়। বিষয়টি আমরা তাদের কাছে জানতে চাইলে উল্টো ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে কথা বলে। পরে ডুমুরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। উপজেলা বন কর্মকর্তা শেখ মোঃ আনিচুর রহমান জানান, বিষয়টি আমি জেনে উপকারভোগীদের থানায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি এবং আমি চাই দোষীদের শাস্তি হোক। ডুমুরিয়া থানার ওসি এম মসিউর রহমান জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডুমুরিয়ায় ব্র্যাক’র কৃষি ব্লক পরিদর্শন
ডুমুরিয়ায় বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক’র কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসুচি প্রকল্পের উদ্যোগে রোপা-আমন ক্ষেত ও ব্লক পরিদর্শন অনুষ্টিত হয়। গত রোববার বিকেলে উপজেলার মেছাঘোনা ব্লকে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় অনুষ্টিত হয়। প্রকল্পের উপজেলা ব্যবস্থাপক নিখিলেশ দে’র সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্টানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যদেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্পের কর্মকর্তা পুর্ণিমা দাশ, প্রভাষ চন্দ্র, প্রবীর রায়, ইফতেখার আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ক্ষেতে উৎপাদিত ধান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। জানা গেছে, এ ব্লকে ৪৫জন চাষীর প্রায় ৩০ একর জমিতে এ প্রকল্পের আওতায় বি-আর ১১ জাতের ধান চাষ করা হয়।
ডুমুরিয়ায় অভিযানে সাজা, জরিমানা ও হলে সিলগালা

ডুমুরিয়ায় গতকাল বিকেলে এক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়েছে। খুলনা জেলা পরিষদের অতিরিক্ত অফিসার আতিকুল ইসলাম এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি উপজেলার শঙ্খ মহল সিনেমা হলে অশ্লীল ছবি প্রদর্শনের অপরাধে সুমন সাহা (২৫), তার ভাই সাধন সাহাকে (২৮) দশ হাজার করে মোট বিশ হাজার টাকা জরিমানা এবং দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও মেসিন-ম্যান মোঃ ইসলাম বিশ্বাসকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। এ ছাড়া হলটি সিলগালা করে দেন। ##




