ধামইরহাট, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর ধামইরহাটে ক্ষুদ্র পানি ব্যবস্থার সøুইস গেটগুলো কৃষকের কোন উপকারে আসছে না। যা এখন গরু ছাগলের গোচারণ ভূমিতে পরিনত হয়েছে।
সুষ্টু পরিকল্পনার অভাব ও অব্যবস্থাপনার কারণে উপজেলার ক্ষুদ্র সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা উপ প্রকল্পগুলো কৃষকদের কোন কাজে আসছে না। সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ উপজেলার চারটি খাড়ি নদীতে ৬টি সøুইস গেট অনেকটা অবহেলায় পড়ে আছে দীর্ঘ দিন ধরে। জানা গেছে, বাংলাদেশ, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক ও লেদারল্যান্ডের সরকারে যৌথ অর্থায়ন ও কারিগরী সহায়তায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ এ উপজেলার ঘুকসী খাড়ি, আমাইতাড়ার কলকলিয়া খাড়ি, টুটিকাটা খাড়ি ও হযরতপুর-লোদিপুর খাড়ির উপর ৬টি সøুইস গেট নির্মাণ করা হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে টেকসহ কৃষি, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাড়ির দু’ধারে মূল্যবান গাছপালা রোপনের মাধ্যমে সরকারের সামগ্রিক দারিদ্র হ্রাসকরণ কর্মকান্ড গ্রহণ করা হয়।
প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য ছিল খাড়ি সংস্কার করে বর্ষা শেষে রবি ও খরা মওসুমে সøুইস গেটের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ বা আটকিয়ে প্রকল্প এলাকার দু’ধারে আবাদি জমিতে সেচের মাধ্যমে শস্য ফলানো। সে কারণে প্রকল্প এলাকায় খাড়ি পুনঃ খনন, সংস্কার, বাধ ও সøুইস গেইট নির্মাণ করে পানি ফসল ফলানোর এবং ধরে রাখা পানিতে মাছ চাষ, হাঁসপালন, খালের দু’ধারে বৃক্ষরোপনসহ সমবায় পদ্ধতিতে এর কার্যক্রম চালু রাখার কথা। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা সøুইস গেটগুলো বর্ষা মওসুমে প্রকল্প এলাকায় ব্যাপক ফসলহানি ও খরা মওসুমে পানি ধরে রাখার সুষ্টু ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষার সময় প্রকল্প এলাকায় বন্যা ও ভাঙ্গন দেখা দেয়। রবি ও খরা মওসুমে পানির অভাবে পুরো প্রকল্প এলাকা পানি শূন্য অবস্থা বিরাজ করে। এতে প্রকল্পের আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। প্রকল্পগুলো ২০০২ সাল থেকে শুরু হলেও কৃষকগণ এসব প্রকল্প থেকে কোন উপকার পাচ্ছে না।
এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আলী হোসেন বলেন, মঙ্গলখাল তথা সøুইট গেট এর বেহাল দশার জন্য কমিটির নিষ্ক্রীয়তাই দায়ী, কমিটিগুলো গতিশীল করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোন অভিযোগ থাকলে অবশ্যই তা খতিয়ে দেখা হবে। তাছাড়া পুরো প্রকল্পকে কৃষকের উন্নয়নে যাতে লাগে সেদিকটা ভেবে দেখা হচ্ছে।




