স্টাফ রিপোর্টার : দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে মত্স্যখাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও প্রকৃত মত্স্যজীবী জেলেদের অবস্থার তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। দেশের অভ্যন্তরীন জলাশয়গুলি মত্স্যজীবী জেলেদের নামে ইজারা দেওয়া হলেও অনেকক্ষেত্রে সম্পদশালী ধনীরাই জলমহালগুলি ইজারা নেয়। জেলেদের আর্থিক সংকটের কারণে অধিকাংশ জেলেদেরই নিজস্ব নৌকা এবং জাল না থাকায় নিম্ন মজুরীতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে থাকে কিংবা মহাজনের নিকচ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে দুর্যোগপূর্ন আবহাওয়াতেও মাছ আহরন করে থাকে। এতে প্রায়:শই অনেক জেলে মারাত্মক দুর্ঘটনারশিকার হয় এবং পরবর্তী সময়ে তাদের পরিবার মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরকার জেলেদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং পুণর্বাসনের লক্ষ্যে জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রম শুরু করেছে।

শেরপুর জেলার জেলে নিবন্ধন ও পরিচয় পত্র প্রদানের লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আইরীন ফারজানার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা আকন্দ। অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, শামীম আরা শামীমা, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ মহসীন আলী, রাজনীতিক ফখরুল মজিদ খোকন, সাংবাদিক হাকিম বাবুল, মত্স্যজীবী নুর ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মত্স্যজীবী পরিবার, সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা, রাজনীতিক, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের অর্ধশতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, আগামী জুন মাস থেকে শেরপুর জেলা জেলে নিবন্ধন শুরু হবে। এজন্য বাড়ী বাড়ী গিয়ে জেলেদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। নিবন্ধন কাজ শেষ হলে সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে জেলেদের পরিচয়পত্রের জন্য ছবি তোলা হবে।




