স্টাফ রিপোর্টার : ৪ এপ্রিল দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর রহমত গঞ্জে গৃহায়ন ও গণগূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী নাওশাদ জামানের বাসার কাজের ১১ বছরের শিশু জাকির হোসেন গলায় ফাঁসের ঘটনায় মারা যায় এবং মৃত শিশু জাকির হোসেন কে পুলিশ উদ্ধরকারে চ.মে.ক হাসপাতালে নিয়ে গেলে পুলিশ তাঁকে মৃত ঘোষণা করে লাশটি মর্গে প্রেরণ করেন। ওই লাশটি মর্গে থেকে ৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় ছাড়পত্র দিয়ে তাদের পিতা-মাতার হাতে তুলে দেন মেডিকেল কর্তৃপক্ষ। লাশ নিয়ে পিতা-মাতা হতাশ দাফনের টাকা নেই। শিশুটির লাশ নিয়ে এ্যাম্বুলেন্স সহকারে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে উপস্থিত লাশটি দেখে সবাই দু:খ প্রকাশ করেন। শিশুটির পিতা-মাতা লাশ দাফনের খরচের টাকার কথা কাউকে লজ্জায় বলতে পারেনি। কৌশলে তাদের সাথে কথা বলেন হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন কৃষ্ণ দেবনাথ সম্পাদক দৈনিক আমাদের সংবাদ তিনি মৃত শিশুর অভিভাবককে জিজ্ঞাসা করেন এখন আপনাদের সমস্যা কি? এবার তিনি লজ্জা ফেলে বললেন, শিশুটির দাফনের টাকা আমাদের হাতে নেই। শিশুটির দাফনের সাহায্যের জন্য জীবন কৃষ্ণ দেবনাথ সর্বপ্রথম নিজে অর্থ দিয়ে বাকি টাকা সংগ্রহ করেন সাপ্তাহিক আলোকিত চট্টগ্রাম প্রকাশক সম্পাদক এম. জামাল উদ্দিন, মো: জাবেদ রকি, মো: ওয়াহিদ হাবিব থেকে। এ ভাবে প্রতিদিন চট্টগ্রাম নগরের কোন না কোন স্থানে এরকম অনেক শিশু ও পুুরুষ-মহিলা মৃত দেহ গুলো রাস্তা ঘাট ফুটপাতে সাহায্যের অপেক্ষায় পরে থাকে। সমাজের বৃত্তবানরা বা সমাজসেবকরা এইসব দরিদ্র মানুষের খবর রাখেনা।




