বেতাগী(বরগুনা ) প্রতিনিধি : চতুর্থ ধাপে বেতাগী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচনী কাজে সংশ্লিস্ট প্রশাসনের রহস্য জনক ভূমিকা ও আওয়ামীলীগ প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান এবি এম গোলাম কবির, ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম পিন্টু ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বেবি রাজ্জাক কে পরিকল্পিত ভাবে পরাজয় ঘটানোর প্রতিবাদে গতকাল রবিবার উপজেলা পরিষদে তার মম্মেলন কক্ষে রবিবার দুপুরে এক সাংবদিক সম্মেলনের আয়োজন করে। সাংবদিক সম্মেলনের তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী কাজে সংশ্লিস্ট প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের আওয়ামীলীগ প্রার্থীদের সমর্থক, দলীয় নেতাকর্মী হয়রানি, পূর্ব রানিপুর কেন্দ্রে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির খলিফাকে গ্রেফতার, কালিকা বাড়ী কেন্দ্রে আনারস প্রার্থীদের এজেন্ট ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাবীবুর রহমান ফকির গ্রেফতার , ঝোপখালী কেন্দ্রে নির্বাচন পরবর্তী ২ হাজার উদ্ধার, বলাইবুনিয়া কেন্দ্রের এস আই মিজানুর রহমান বি এন পি সর্মথিত প্রার্থীর দোয়াত কলম প্রতীকে ভোট প্রাথনা , পূবর্ বেতাগী কেন্দ্রে ছাত্রলীগ সভাপতি, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কে নাজেহাল, ৩নং ইউপি চেয়ারম্যান, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি কে গুলি করে হত্যার হুমকি প্রদান করে, বেতাগী গালর্স স্কুল কেন্দ্রে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীর বৃদ্ধ মাতাকে নাজেহাল করে । তালগাছিয়া ভোট কেন্দ্রে প্রার্থীর স্ত্রীকে বারংবার স্থান ত্যাগ করতে বাধ্যকরে । এমনকি পূর্ব রানীপুর ভোট কেন্দ্রে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীকে একাধিকবার দায়িত্বরত পুলিশ গুলি করতে উক্তত্য হয়। একই ভাবে উপজেলার প্রতিটি কেন্দ্রে অহেতুক আতংকের সৃস্টি করে। পুলিং এজেন্ট সমর্থক, দলীয় নেতা কর্মিদের হয়রানি, ভোট কেন্দ্রের আশে পাশে অবস্থান এবং এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করে।প্রশাসনের এই অতিরিক্ত বাড়াবারির ফলে সাধারন ভোটাররা ভয় ও আতংকের কারনে ভোট দিতে যেতে পারিনি। যার ফলে ৪০% ভোটার ভোটারধিকার প্রয়োগ হয়েছে।
সর্বপরি প্রশাসন আওয়ামীলীগ প্রার্থীদের পরিকল্পিত ভাবে পরাজিত করে। সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যামে সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষি কর্মকর্তাদের বিচার দাবি করেন। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান মাকছুদুর রহমান ফোরকান, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ বাবুর আক্তার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান খান,লুৎফর রহমান স্বপন, ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল হাসান মহসিন উপস্থিত ছিলেন।




