মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলার সিন্দুরখান এলাকায় দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গত ৩০ মার্চ রবিবার দিবাগত গভীর রাতে সিন্দুরখান ইউনিয়নের লাহারপুর গ্রামের রুহেল মেম্বারের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সুত্রে জানাযায, সিন্দুরখান ইউনিয়নের লাহারপুর গ্রামের রুহেল মেম্বারের বাড়িতে ৯-১০ জনের মুখোশ পড়া ডাকাত দল হানা দেয়। বাড়ীর গ্রীলের তালা ভেঙ্গে ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদেরকে জিম্মি করে প্রায় ১৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ১৫ হাজার টাকা, ১টি আইফোন ও ১টি ভিডিও ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতদের হামলায় এ সময় ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন আলকাছ মিয়া (৫৮) তার ভাই সেলিম মিয়া (৪২) ও রুহেল মেম্বার (৪৫)। আহতদেও মধ্যে গুরুতর আহতবস্থায় আলকাছ মিয়াকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত দুইজন স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
তৎক্ষনিক খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । পরে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ ডাকাতকে আটক করেছেন। আটককৃত হলেন, বাহুবল উপজেলার মিরপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা (বর্তমান মুসলিমবাগ আবাসিক এলাকার গণি মিয়া বাসার ভাড়াটিয়া) সুফি মিয়ার ছেলে শাহীন মিয়া (১৯), ও একই উপজেলার একই স্থানের বাসিন্দা সাবাস মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (১৯), শ্রীমঙ্গল শহরের সিন্দুরখান রোডের ইসহাক মিয়ার ছেলে জামাল মিয়া (২০), মুসলিমবাগ আবাসিক এলাকার উস্তার মিয়া (২৮), শ্যামলী আবাসিক এলাকার জালাল মিয়ার পুত্র সিএনজি চালক রুবেল মিয়া (৩০) ।
শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্শকর্তা(ওসি) আব্দুল্লাহ সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পলিশ ঘটনাস্থলে পৌছেঁ ডাকাত দলের ফেলে যাওয়া একটি ছবিতে নাম -ঠিকানা পেয়ে সেই সূত্রে ধরে প্রথমেই শাহীনকে আটক করা হয়। পরে শাহীনের দেয়া তথ্যনুযায়ী প্রত্যেকে আটক করা হয় এবং সবাই ১৬১ধারা জবানবন্দিতে ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে রুহেল মেম্বার বাদী হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় অজ্ঞাতনামা ২০জনকে আসামীকে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।




