ads

বুধবার , ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চুকনগরের গণহত্যার সাক্ষী সুন্দরী’র বসত ঘরের কাজ উদ্বোধন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৪ ৬:০৬ অপরাহ্ণ
চুকনগরের গণহত্যার সাক্ষী সুন্দরী’র বসত ঘরের কাজ উদ্বোধন

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে  বুধবার সকাল ১০টায় চুকনগর বাজারের পাশে মূলবান ১১শতাংশ জমিতে ’৭১ সালে চুকনগর গণহত্যায় বেঁচে যাওয়া একমাত্র শিশু সুন্দরী দাসী(৪৩) কে বসবাসের জন্য ঘরের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে।
১৯৭১ সালে খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, বারিশালসহ আশ-পাশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা বিপুল সংখ্যক হিন্দুধর্মাবলম্বী মানুষ জীবন বাঁচানোর আশায় পার্শবর্তীরাষ্ট্র ভারতে আশ্রয় নেওয়ার জন্য কয়েকদিন ধরে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারসহ আশ-পাশের বিলে অবস্থিত করছিলো। ওই খবর পেয়ে পাকসেনা ও তাদের দোসর রাজাকাররা মিলে ২০ মে সকাল থেকে নির্বচারে গুলি করে দশ হাজারেরও অধিক মানষকে হত্যা করে। ওই গণহত্যার পরদিন সকালে বর্তমান চুকনগর কলেজের সামনে পাতখোলা বিলে বাবা চিকন আলী মোড়লের লাশ খুঁজতে যাওয়া এরশাদ আলী মোড়ল(৭০) হাজার হাজার লাশের মধ্যে এক নারীর মরদেহের ওপর একটি ফুটফুটে সুন্দর শিশুকে কাঁদতে দেখে তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। আদর করে নাম রাখেন সন্দরী। ওই সুন্দরীকে বড় করে এলাকার এক বাজাদারের(বাজন্দার) সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। গরীবের সংসারে নানা কষ্টের কথা নিয়ে ২০০৭ সালে প্রথম আলোতে ‘এক সুন্দরী রাজকুমারীর গল্প’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। তারপর অনেকেই সুন্দরীকে বিভিন্ন ভাবে সহয়তা করেন। শেষে ২০১১ সালে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াৎ হোসেনের প্রচেষ্টায় ভূমিহীন সুন্দরীর বসবাসের জন্য খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে চুকনগর বাজারের দক্ষিণ পাশে ১১ শতাংশ খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। কিন্তু সেই থেকে প্রভাবশালীরা ওই জমি সুন্দরীকে দখল করতে না দেওয়ার প্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় বর্তমান ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সামছু দ্দৌজা ও সহকারী কমিশনার(ভূমি) সেলিম রেজা হাজির থেকে চুকনগর এলাকার বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে সাতক্ষীরা ফুডস লিমিটেডের পূর্বপাশে সেই জমিতেই সুন্দরীর বসবাসের জন্য ঘর বাঁধার কাজের সুচনা করে দেন।
জমি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে সুন্দরী দাসী বলেন, ‘আপনাদের সকলের চেষ্টার ফলে আজ আমি মাথা গোঁজার ঠাই পাচ্ছি। আমার স্বামী কোনো ভিটে-মাটিও রাখে যায়নি।’ ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আবদুল কাদের বলেন, তার ঘর থৈরির জন্য দুই বান্ডিল ঢেউটিন ও টাকা দেওয়া হয়ছে। ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) সেলিম রেজা বলেন, গণহত্যা থেকৈ বেঁচে যাওয়া সেই সুন্দরী দাসীর স্বামী মারা যাওয়ার পর তার পরিবার নিয়ে বসবাসের জন্য আমরা একটা মানবিক দায়িত্ব পালন করেছি। ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সামছু দ্দৌজা বলেন, প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের সহয়তায় তাকে ভাল ঘর করতে সহয়তা করা হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!