ads

মঙ্গলবার , ২২ জুলাই ২০২৫ | ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পাকিস্তানে বৃষ্টিপাত ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ২২১

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ২২, ২০২৫ ১:১৮ অপরাহ্ণ

পাকিস্তানে মৌসুমি বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২১ জনে। মঙ্গলবার দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) জানিয়েছে, নতুন করে বৃষ্টিপাত হওয়ার ফলে পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং বজ্রপাতে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিজনিত ঘটনায় ২ জন পুরুষ ও ৩ জন শিশুসহ অরো পাঁচজন নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

এনডিএমএর তথ্য মতে, চলতি মৌসুমি বৃষ্টিপাতে এখন পর্যন্ত মোট ৫৯২ জন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৭৭ জন পুরুষ, ৪০ জন নারী এবং ১০৪ জন শিশু।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ, যেখানে ১৩৫ জন মারা গেছে এবং ৪৭০ জন আহত হয়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়ায় মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের এবং আহত হয়েছে ৬৯ জন। সিন্ধে প্রাণ হারিয়েছে ২২ জন, আহত ৪০। বেলুচিস্তানে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আজাদ কাশ্মীরে একজন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছে। গিলগিট-বালতিস্তানে ৩ জন আহত হয়েছে এবং ইসলামাবাদে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

এনডিএমএর রিপোর্ট অনুযায়ী, অধিকাংশ প্রাণহানি ঘটেছে ভবনধস, ডুবে যাওয়া, ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা, বজ্রপাত ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার কারণে। মৌসুমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৮০৪টি বাড়ি আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং ২০০ গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে।

এনডিএমএ বাবুসর এলাকায় বন্যাজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। টানা বৃষ্টিপাতে বাবুসর টপ এলাকায় ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। অন্তত ১৪ থেকে ১৫টি রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে এবং সেখানে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে চিলাস শহরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সারা দেশে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে আরো বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সব নাগরিককে বিশেষ করে বন্যাপ্রবণ ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার জলবায়ুর স্বাভাবিক অংশ হিসেবে প্রতিবছর মৌসুমি বৃষ্টি ফসল চাষ ও পানির উৎস পুনরুজ্জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু নগরায়ণের দ্রুত প্রসার, নাজুক নিষ্কাশনব্যবস্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চরম আবহাওয়ার কারণে এর নেতিবাচক প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে।

পাকিস্তান আবহাওয়া বিভাগ (পিএসডি) মঙ্গলবার এক পূর্বাভাসে জানায়, কাশ্মীর, খাইবার পাখতুনখোয়া, ইসলামাবাদ, পাঞ্জাব ও গিলগিট-বালতিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত, দমকা হাওয়া ও বজ্রপাত হতে পারে। দেশটির কিছু এলাকায় গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করলেও অনেক এলাকায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

Need Ads
error: কপি হবে না!