এবারের একুশে বইমেলায় প্রকাশিত ‘নীলকন্ঠের গান ‘ নব্বই দশকের কবি রফিকুল ইসলাম আধার-এর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ। এটি প্রকাশ করেছে রাজধানী ঢাকার নব সাহিত্য প্রকাশনী। কাব্যগ্রন্থটির নান্দনিক প্রচ্ছদ এঁকেছেন বিশিষ্ট আঁকিয়ে মোমিন উদ্দীন খালেদ। এতে স্থান পেয়েছে প্রেম-বিরহ ও দ্রোহের চৌষট্টিটি কবিতা। কবি কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করেছেন কবিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত কবি তালাত মাহমুদকে। গ্রন্থ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে দুইশ বিশ টাকা। প্রাপ্তি স্থান : নব সাহিত্য প্রকাশনীর লাইব্রেরী ও বিক্রয়.কম এবং শেরপুরসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অভিজাত লাইব্রেরীগুলো।

এ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো মূলত কবির আধুনিক ছন্দ ও রূপকের নিপুণ বুনন। তাঁর কবিতার একটি বিশেষ শক্তি হলো অল্প কথায় বিশাল ভাব প্রকাশ। ক্ষুদ্র পরিসরে জীবন ও জগতের গভীর দর্শনকে তিনি যেভাবে তুলে ধরেন, তা পাঠকদের জন্য নতুন এক আস্বাদন তৈরি করে। তাঁর কবিতায় ব্যবহৃত রূপক ও উপমাগুলো অনেক সময় চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্য থেকে নেওয়া। আবার কখনো তা আধুনিক নাগরিক জীবনের বিচ্ছিন্নতাবোধ থেকে উৎসারিত। ‘নীলকণ্ঠের গান’ তাঁর কাব্যিক দর্শনের সাক্ষ্য দেয়। তিনি কষ্টের নীল বিষকে পান করে জগতকে আশার আলো দেখানোর প্রয়াস পান নীলকণ্ঠের মতো।
কাব্যগন্থটির মুখবন্ধে কবি-ছড়াকার মোস্তাফিজুল হক লিখেছেন, ‘নীলকন্ঠের গান’ কাব্যগ্রন্থটি নানান বৈচিত্র্যময় সামাজিক ও মানবিক অনুষঙ্গের রূপকল্প ও চিত্রকল্পে ঠাসা। আছে দেশপ্রেম, মানবতা এবং নর-নারীর স্বভাবসুলভ প্রেম ও বিরহের কথা। ফলে এ কাব্যগ্রন্থ পাঠ করে পাঠক একঘেয়েমিতামুক্ত কবিতার রসাস্বাদনে পরিতৃপ্ত হবেন।

লেখক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান, নির্বাহী সম্পাদক, শ্যামলবাংলা২৪ডটকম।




