ads

সোমবার , ১৩ জানুয়ারি ২০১৪ | ২৪শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বাধঁ ভেঙ্গে কপাল ভেঙ্গেছে উওর বেতাগীর ভাগ্যহত মানুষের : কন কনে শীত এনে দিয়েছে আবার নতুন দুর্যোগ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ১৩, ২০১৪ ৮:২৭ অপরাহ্ণ

barguna-mapবেতাগী(বরগুনা)সংবাদদাতা : নদী ভাঙনে বাধঁ ভেঙ্গে কপাল ভেঙ্গেছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে সংগ্রাম করে বেচে থাকা উপকূলীয় বরগুনার বেতাগী উপজেলার বিষখালী নদীর পাড়ের উত্তর বেতাগী,ছোট কেওয়াবুনিয়া,ঝোপখালী ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের  ভাগ্যহত মানুষের।আর কপাল খুলে গেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের গুটি কয়েক প্রকৌশলী ও ঠিকাদার সিন্ডিকেটের।সরকার কাড়ি কাড়ি টাকা ঢেলেও, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। টাকা কোথায় গিয়েছে ? এ প্রশ্নই করছিলেন শহীদুল ইসলাম বাবুল,হুমায়ুন,আফজাল হোসেনও সুরাইয়া বেগম। একই প্রশ্ন  মুখে মুখে ফিরছে আরো অনেক সাধারন মানুষের। সিডর,আইলায় ভেঙে যাওয়া রক্ষা বাঁধ সংস্কারের জন্য চার বছর আগে ব্লক তৈরী করে বাশ,বলি ও বস্তার চট রেখে গেছেন  সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।এর পর ওই ঠিকাদারের আর খোজ নেই।চার বছর আগে তৎকালীন পানি সম্পদ মন্ত্রী  বেতাগীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসেছিলেন।তার কাছেও অভিযোগগুলো রেখে ছিলেন। রক্ষা বাধের ধ্বসে যাওয়া অংশে দাঁড়িয়ে কেমন আছেন জানতেই আমীর হোসেন আঙ্গুল উচিয়ে বলেন,ওই স্থান দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে আমাদের বাড়িঘর ভাসছে।আর আঙ্গুল উচিয়ে দেখানো এলাকা জানান দেয় এখানেই ছিল তাদের পুরানো বসত ভিটা। আজ কিছুই নেই।সবই বিলীন হয়েগেছে বিষখালী নদীগর্ভে।

Shamol Bangla Ads

ভাঙনের শিকার এ সব ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের কেউ খোজ রাখেনা।প্রতি বছর নদী ভাঙনের সাথে সংগ্রাম করতে গিয়ে এখানকার হাজার হাজার মানুষ নিঃস্ব হয়ে গেছে।ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে এ জনপদ। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন অব্যাহত থাকায় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ঘড়বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা, ফসলী জমি ও গুরুত্বপুর্ন রাস্তা ঘাট। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েক কোটি টাকার।এ উপকূলের মানুষের দুর্যোগ থেকে রক্ষার একমাএ মাধ্যম রক্ষা বাধঁ সংস্কার ও সংরক্ষন।পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, ভাঙনের হাত থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষার জন্য এখানে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে একাধিকবার।যার কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে।  তবে এলাকার বেশিরভাগ মানুষের মুখে ভিন্ন সুর।তারা জানান, সংস্কারের নামে এখানকার রক্ষা বাধঁ নিয়ে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।প্রতি সরকারের আমলেই বাধঁ মেরামতের নামে কোটি কোটি টাকা লুট করে নেয় রাজনৈতিক নেতা ও ক্ষমতাসীন দলের ঠিকাদাররা। সরজমিনে গিয়ে দেখাগেছে,রক্ষাবাধেঁর ভাঙন পয়েন্ট দিয়ে পনি ঢুকে জোয়ারের পানিতে গ্রামগুলো ডুবে থাকছে।আবার ভাটায় জেগে উঠেছে।ফাকে রান্নার কাজ বন্ধ থাকায় বাসিন্দাদের প্রায়ই অভুক্ত কাটাতে হচ্ছে।লবনাক্ত পানির প্রবাহে গাছপালা বিশেষ করে ফলজ বৃক্ষের পাতাগুলো পুড়ে আঙ্গার হয়েগেছে।পারছেনা ফসল ফলাতে।

স্থানীয়রা জানায়, ভাঙনের কবলে ক্ষতির শিকার হয়ে  সহায়সম্বলহীন হয়ে পড়েছে ১০ হাজার মানুষ। দিনমজুর অধ্যুষিত এ এলাকার অধিকাংশ দুর্গত মানুষই পুনর্বাসনের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে। পরিবারগুলো একধরনের ঝুপরির মধ্যে বসবাস করছে। কেউ কেউ পৈত্রিক ভিটে মাটি হারিয়ে এলাকার মায়া ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।আর কোন দিন তাদের স্থায়ী ঠিকানায় ফিরতে পারবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ আছে দুর্গতদের মনে।নদীর তীরবর্তী এই জনপদের যারা এখনো স্থানান্তরিত হননি বিশেষ করে এই শীত মৌসুমে তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। এমনিতেই অনাহারে অর্ধাহারে কাটে তাদের দিন।কন কনে শীত তাদের জীবনে  এনে দিয়েছে আবার নতুন দুর্যোগ। শীতবস্ত্রের অভাবে কাবু হয়ে  দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে।

Shamol Bangla Ads

এমন কোন আর্থিক সংগতি নেই যা দিয়ে তারা শীত নিবারন ও ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ তাদের পাশে দাঁড়াবার কেউ নেই। সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময়ে যদিও বলেছেন,রক্ষা বাঁধের কাজ শীঘ্রই সম্পন্ন করা হবে। কিন্ত তাদের এ কথায় কেউ আশ্বস্ত হতে পারেছে না। রক্ষাবাধ প্রকল্পে অনিয়ম ও বøক না ফেলে বিল উত্তোলনের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে গ্রামের বাসিন্দারা ভাঙন কবলিত এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন কালে বক্তারা বিষখালী নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ বাসিন্দাদের পুনর্বাসন, ভাঙন থেকে রক্ষা ও রক্ষাবাধে বøক ফেলে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন এবং জিআর,কাবিখা,টিআর,অতি দরিদ্র কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় আনার জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সাংসদ, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানায়। এতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা আবদুস সোবাহান,পৌর কাউন্সিলর মাহামুদা বেগম, জসীম উদ্দীন, ব্যবসায়ী মোঃ শহীদুল ইসলাম বাবুল, ক্ষতিগ্রস্ত সুরাইয়া বেগম, আলতাফ হোসেন, মোঃ সুজন, আরিফ হোসেন।

ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে উত্তর বেতাগী
কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবিতে বাসিন্দাদের মানববন্ধন

বিষখালী নদীর ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে বেতাগী উপজেলার উত্তর বেতাগী,ছোট কেওয়াবুনিয়া ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রাম। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন অব্যাহত থাকায় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ঘড়বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গাছপালা, ফসলী জমি ও গুরুত্বপুর্ন রাস্তা ঘাট। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েক কোটি টাকার। স্থানীয়রা জানায়, ভাঙনের কবলে ক্ষতির শিকার হয়ে  সহায়সম্বলহীন হয়ে পড়েছে ১০ হাজার মানুষ। দিনমজুর অধ্যুষিত এ এলাকার অধিকাংশ মানুষই পুনর্বাসনের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে। কেউ কেউ এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। বিশেষ করে নদীর তীরবর্তী এই জনপদের চলতি শীত মৌসুমে তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। এমনিতেই অনাহারে অর্ধাহারে কাটে তাদের দিন শীতবস্ত্রের অভাবে আরও কাবু হয়ে পড়ছে। এমন কোন আর্থিক সংগতি নেই যা দিয়ে তারা শীতনিবারন ও ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ তাদের পাশে দাঁড়াবার কেউ নেই। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, ভাঙন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন ও রক্ষাবাধ প্রকল্পের বøক না ফেলে বিল উত্তোলনের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে গ্রামের বাসিন্দারা ভাঙন কবলিত এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন কালে বক্তারা বিষখালী নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর বেতাগী গ্রামের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন, ভাঙন থেকে রক্ষা ও ওই গ্রামের রক্ষাবাধে বøক ফেলে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সাংসদ, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানায়। এতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা আবদুস সোবাহান,পৌর কাউন্সিলর মাহামুদা বেগম, জসীম উদ্দীন, ব্যবসায়ী মোঃ শহীদুল ইসলাম বাবুল, ক্ষতিগ্রস্ত সুরাইয়া বেগম, আলতাফ হোসেন, মোঃ সুজন, আরিফ হোসেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!