বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের শাশুড়ি আয়শা আহমাদ ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)। ৬ জুলাই শনিবার রাত ১০টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন। আয়শা আহমাদ ৫ পুত্র ও ২ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

জানা যায়, মরহুমার জানাজা আগামীকাল সোমবার বাদ জোহর মোহাম্মদপুর, তাজমহল রোডস্থ মাসজিদ-ই-বাইতুল ফিরদাউস-এ অনুষ্ঠিত হবে এবং বনানী সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
আয়শা আহমাদের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, আয়শা আহমাদ একজন পরহেজগার ও গুণী মহিলা ছিলেন। একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে তিনি ইসলামি আন্দোলনের অনেক খেদমত করে গেছেন। কোমল হৃদয় ও সদয় ব্যবহার ছিল তাঁর অন্যতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তিনি অতি সহজেই মানুষকে আপন করে নিতে পারতেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁর জীবনের গুনাহগুলোকে ক্ষমা করে নেকিতে পরিণত করুন। তাঁর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনকে সবরে জামিল দান করুন।
এদিকে জামায়াত আমির নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে শাশুড়ির মৃত্যুর খবর জানিয়ে লিখেন- আমার শ্রদ্ধেয়া শাশুড়ি মুহতারামা আয়শা আহমদ কিছুক্ষণ আগে দুনিয়ার সফর সমাপ্ত করেছেন। আমাদের পরিবার সহকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞ। তাঁর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আপনারা খোঁজ-খবর নিয়েছেন এবং দোয়া করেছেন—এটি আমাদের জন্য বড় সান্ত্বনা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, হায়াত ও মাউত দুটোই আল্লাহ তা’য়ালার ফায়সালার বিষয় ও নিয়ামত। আল্লাহ তা’য়ালা তার এই বান্দির প্রতি রহম করুন, তাঁকে ক্ষমা করুন এবং অনন্ত জীবনের সফরে তাঁকে রহমতের ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করুন। সকলের কাছে সেই দো’য়াই আমরা প্রত্যাশা করি।




