টাঙ্গাইল সংবাদদাতা : বিগত ২০০৮ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও ঐ নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী প্রার্থীসহ টাঙ্গাইলের মোট ১’শ ৬৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরেয়ানা জারি করেছে আদলত। জানা যায় স্থানী সরকার (উপজেলা) নির্বাচন বিধিমালা ’২০০৮ এর ৭৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন পরবর্তী গেজেট প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীরা নির্বাচনী ব্যায়ের রিটার্ন দাখিল না করায় টাঙ্গাইলের তৎকালিন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কে.এস তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ৫ মার্চ নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও ঐ নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী প্রার্থীসহ টাঙ্গাইলের মোট ১’শ ৬৬ জনের বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় অক্টোবর (২০১৩) মাসের শেষের দিকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরেয়ানা জারি করা হয়। নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী প্রার্থীরা বলেন যেহেতু এটা প্রথম নির্বাচন তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনী ব্যায়ের রিটার্ন দাখিল করার নির্দেশনার ব্যাপারে সম্যক ধারনা না থাকায় এমনটা ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ না দিয়েই মামলা দিয়েছেন। তবে ইতিমধ্যে (নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার কাছাকাছি সময়ে) আমরা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে রিটার্ন দাখিল করেছি। এ ব্যাপারে ২২ নভেম্বর টাঙ্গাইল অ্যাডভোকেট বার সমিতির মিলনায়তনে মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আব্দুল গফুর মন্টুর সভাপতিত্বে জেলার সকল উপজেলা চেয়ারম্যান ও প্রার্থীদের সমন্বয়ে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আলোচনা করেন বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজি অলিদ ইসলাম, নর্বাচনে অংশ গ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট মহসিন সিকদারসহ নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা যথা সময়ে তাদের নির্বাচনী ব্যায়ের রিটার্ন দাখিলের অনিচ্ছাকৃত বিলম্বের জন্য মহামান্য আদালতের সহানুভুতি কামনা করে নির্বাচনী ব্যায়ের দখিলকৃত রিটার্ন গ্রহণ করে উক্ত মামলা থেকে সকল চেয়ারম্যান ও প্রার্থীদের অব্যাহতি প্রদানের দাবি জানান।




