চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী পরিবহন রয়েল এক্সপ্রেসের চাপায় ৬ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছে। ৮ আগস্ট শনিবার সকাল ৬টার দিকে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, শনিবার সকালে হঠাৎ করেই রয়েল এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাজারে দাঁড়িয়ে থাকা বরফ বোঝাই চালকসহ আলমসাধু, রিক্সাভ্যান, মোটরসাইকেল ও সাধারণ মানুষ চাপা দিয়ে দ্রুতগতিতে চুয়াডাঙ্গার দিকে চলে যায়। পরিবহনের চাপায় ঘটনাস্থলে ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান সদর উপজেলার খাড়াগোদা গ্রামের পল্লীচিকিৎসক সদর উপজেলার মাহতাব উদ্দিনের ছেলে মিলন (৩৫), বসু ভান্ডারদহ গ্রামের নিতাই হালদারের ছেলে ষষ্টি হালদার (৪০), তিতুদহ গ্রামের প্রিয়ত আলীর ছেলে রাজু আহম্দে (৩০), তিতুদহ গ্রামের রহিম মল্লিকের ছেলে শরিফুল (৪৫) তিতুদহ গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে কালু মন্ডল (৩৫) ও তিতুদহ গ্রামের নুতার ছেলে সোহাগ (২৫)।
আহত হন সরোগঞ্জ বাজারের বজলুর ছেলে বাবলু (৪৫), তিতুদহ গ্রামের মরহুম তৈয়ব আলীর ছেলে আলমগীর (২৭) ও একই গ্রামের জুড়ন মন্ডলের ছেলে বেল্টু (৩০) ও মোহাম্মদ জুম্মা গ্রামের খোদা বক্সের ছেলে আকাশ (২৫)। এর মধ্যে গুরুতর আহত বাবলুকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) কনক কান্তি দাস বলেন, রয়েল এক্সপ্রেসের ঢাকা মেট্রো ব ১৫-২১৬১ যাত্রীবাহী পরিবহনের চালক যে দুর্ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাতে ৬ জন মারা গেছে। ওদের পরিবারের সদস্যরা যদি মামলা করে তবে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। তারা মামলা না করলে পুলিশ বাদী হয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে হত্যাকান্ড ঘটানোর দায়ে মামলা করবে।




