ads

সোমবার , ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে বিএনপি প্রার্থী প্রিয়াংকার গাড়ি বহরে হামলার অভিযোগ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ২৪, ২০১৮ ৯:৩০ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (সদর) আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সমর্থিত বিএনপি প্রার্থী ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকার গাড়ির বহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। ২৪ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার ঘুঘুরাকান্দি এলাকায় ওই হামলার ঘটনায় নিজের পাজেরো গাড়ি ভাঙচুর এবং আত্মীয়সহ ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছে বলেও দাবি ডাঃ প্রিয়াংকার। একইসাথে তিনি ওই ঘটনার বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে সাথে তার থাকা জেলা বিএনপি নেতা হাতেম আলীসহ ১১ নেতা-কর্মীকে আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ-এমন অভিযোগও করেছেন গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে।
সোমবার সন্ধ্যায় ডাঃ প্রিয়াংকা গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, সোমবার বিকেল ৪ টার দিকে সদর উপজেলার ঘুঘুরাকান্দি এলাকায় নিজের একটি পাজেরো গাড়িতে তিনি তার মা’সহ অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন ও দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে নিয়মিত গণসংযোগে বের হন। বেলা সাড়ে ৪ টার দিকে ঘুঘুরাকান্দি গ্রামে পৌছালে সেখানকার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা গণসংযোগে বাঁধা দিয়ে গাড়ির বহরটি ফিরিয়ে দেয়। ওইসময় তারা শান্তিপূর্ণভাবে গাড়িটি ঘুরিয়ে আসার সময় পেছন থেকে লাঠিসোটা নিয়ে গাড়ির পেছনের ও দু’পার্শ্বের কাঁচ ভেঙে ফেলে এবং গাড়িতে বসা লোকজনের উপর হামলা করে। এতে প্রার্থীর খালা ও ভাইসহ ১০ জন আহত হন। পরে প্রিয়াংকা গাড়িটি নিয়ে শহরে ফিরে এসে বিষয়টি জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আনারকলি মাহবুবের কার্যালয়ে দেখা করতে চাইলে প্রথমে তার সাথে রিটার্নিং কর্মকর্তা দেখা করতে না চাইলে তার দরজার সামনে বসে প্রায় ৪০ মিনিট অবস্থান নেন ডাঃ প্রিয়াংকা। এক পর্যায়ে প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা এসে পরিস্থিতি শান্ত করে রিটার্নিং কর্মকর্তার সাক্ষাত দেন। ওইসময় ডাঃ প্রিয়াংকা আবেগতাড়িত হয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে ঘটনার বিবরণ খুলে বলেন এবং তার বিচার ও নিজের নিরাপত্তার দাবি জানান। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ওইসময় প্রার্থীকে শান্ত হয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসসহ ঘটনাটি নির্বাচনী ইলেক্ট্ররিয়াল সেলে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন।
এদিকে কার্যালয়ের নিচে উত্তেজিত নেতা-কর্মী ও আত্মীয়রা ক্ষোভ জানালে সেখানে অবস্থানরত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পুলিশ সদস্যরা প্রার্থীর আত্মীয়-স্বজন ও বিএনপি নেতা হাতেম আলীসহ ১১ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলন : সোমবার সকালে শহরের মাধবপুরস্থ বিএনপির নির্বাচনী অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের প্রতি যাচাই-বাছাইপূর্বক দায়িত্ব পালন করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে এবং তার প্রচারণায় বাধা, হামলা, মিথ্যা মামলা, গণগ্রেফতার ইত্যাদি বন্ধ করার জোর দাবি জানান। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হুইপ আতিউর রহমান আতিক সম্পর্কে বলেন, তিনি আমার পিতৃতুল্য। আতিক আঙ্কেল বিভিন্ন সমাবেশে বলে থাকেন, আমি ছোট মানুষ, রাজনীতি বুঝিনা, আমি তার তুলনায় দুর্বল প্রার্থী। এমনকি বিভিন্ন সভায় প্রকাশ্যে বলে থাকেন, আমি নাকি কোন প্রার্থীই না। সাংবাদিকদের প্রশ্ন করে তিনি বলেন, আমি যদি দুর্বল হই তাহলে আমার নেতা কর্মীদের প্রতি এত হামলা-মামলা কেন? তিনি অবশ্যই আমাকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মূল্যায়ন করেন এবং নির্বাচনে ফলাফল উল্টো হতে পারে এই ভয়ে তিনি তার নেতা-কর্মীদের দিয়ে আমার কর্মীদের নির্যাতন করছেন। সেনাবাহিনীর প্রতি তার আস্থার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোটের মাঠে সেনাবাহিনী জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল, আমি আশা করবো অতীতের মতো সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ধরে রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিয়ে জাতীর আস্থার মূল্যায়ন রাখবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!