মো. মহসিন মাতুব্বর আমতলী (বরগুনা) : খাল নদী আর সাগর অধ্যুষিত শীত প্রবণ দক্ষিনাঞ্চলীয় বরগুনার আমতলীতে শীতের আগমনি বার্তা চারিদিক। সন্ধার পর এ অঞ্চলের জনপদ ঢেকে যাচ্ছে কুয়াশায়। শীতের শিশির বলায় ভিজে যাচ্ছে শাক-সবজির ক্ষেতসহ ঘাস ও গাছ গাছালির লতা-পাতা। সন্ধা থেকে সারারাত ও সকাল থাকে কুয়াশায় ঢাকা।
এ জনপদে শীতের প্রকোপ বাড়ছে ধীরে ধীরে। রাতে ও সকালে গ্রামাঞ্চলের লোকজন রীতিমতো কাঁথা, কম্বল ও মোটা কাপড় পরিধান করতে শীত নিবারনের জন্য। প্রতিবারের মতো এবারও এখানে শীতের তীব্রতা বাড়বে এমন আশংকায় লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ততাও বেড়েছে ধোনুকারদের।
ধনী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষরা শীতের প্রস্তুতি হিসেবে লেপ-তোশক তৈরির জন্য ভিড় করছে ধোনুকারদের দোকানে। এদিকে শীত থেকে রক্ষা পাবার জন্য দরিদ্র মানুষগুলো পুরোনো কাপড়ের দোকানেও ভিড় করছে।বিগত বছরগুলোতে সরকারিভাবে এ উপজেলায় শীতের কাপড় বিতরণ করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতূল।
উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.শহিদুল ইসলাম মৃধা জানান, গরীব মানুষদের এমনেতেই নুন আনতে পান্তা ফুরায়।
শীতের কাপড় না থাকায় তারা ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়। তিনি সরকারি ও বেসরকারি ভাবে শীতার্ত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমকর্তা মো.জাহাঙ্গির আলম জানান, এখন পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ভাবে শীতের কাপড় পাওয়া যায়নি। বরাদ্দ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




