পাবনা প্রতিনিধি : পবনা-নগরবাড়ী মহাসড়কের রাজাপুর এলাকায় টায়ারে আগুন জ্বেলে মহাসড়ক অবরোধ করে পিকেটিং করেছে হরতাল সমর্থকেরা। এ ছাড়া ক্যালিকো কটন মিল এলাকার মহাসড়কে পিকেটিং করে হরতাল সমর্থকরা। ঈশ্বরদী-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানেও হরতাল সমর্থকেরা পিকেটিং করেছে। তত্ববধায়ক সরকারের দাবীতে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৬০ ঘন্টার হরতালের প্রথম দিন সোমবার এ অবরোধ করা হয়। অপর দিকে পাবনা পৌর শহরের শালগাড়ীয়া এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে শিবির সন্দেহে পুলিশ ১৪ যুবককে আটক করেছে। আটককৃত যুবকদের সম্পর্কে কোন তথ্য এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায় নাই। পাবনা জেলা শহরসহ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমুহে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের প্রথম দিন সোমবার পাবনার ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়াতে হরতালকারী ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী-ঢাকা-রাজশাহী-বগুড়া-খুলনা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল ও বিভিন্ন যানবাহন ভাংচুর করে। এসময় দাশুড়িয়া ট্রাফিক মোড়ে আয়োজিত ১৮ দলীয় জোটের স্থানীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ঈশ্বরদী উপজেলা ১৮ দলীয় জোটের আহŸায়ক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি সামসুদ্দিন আহমেদ মালিথা। সামসুদ্দিন মালিথা বলেন, সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল বাঁকা করতে হয় তা হয়তো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানা নেই। বিএনপি হচ্ছে আন্দোলন সংগ্রামের দল। এদেশের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ এখন তত্ত¡াবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন চাচ্ছে। আমরা দেশবাসিকে সাথে নিয়ে তত্ত¡াবধায়ক সরকার আদায় করে ঘরে ফিরবো। তত্ত¡াবধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে নির্বাচন হতে দেয়া যাবেনা। সকালে শহরের ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে হরতাল সমর্থকেরা দুটি ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের প্রথম দিন সোমবার ঈশ্বরদী শহরের বেশির ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখে। সেই সাথে ব্যাংক বীমায় অন্য দিনের মতো গ্রাহকের ভিড় দেখা যায়নি। সেই সাথে রাস্তাতে কোন প্রকার ইঞ্জিন চালিত যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। ঈশ্বরদীতে স্মরণকালের হরতাল পালিত হয়েছে। দুপুরের পর হরতালের পক্ষে-বিপক্ষে রাজপথে কাউকে দেখা যায়নি।




