ads

রবিবার , ৩ নভেম্বর ২০১৩ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কালের আবর্তে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ৩, ২০১৩ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

03-11-2013 NANDIGRAM BOGRAমো.সুজন রানা, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) : কালের আবর্তে আধুনিকতার নান্দনিক ছোয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প। বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় কুমোর সম্প্রদায় যুগ যুগ ধরে তৈরী করে আসছে মাটির কলস, হাঁড়ি, সরা, পেয়ালা, সুরাই, মটক, বাসন-কোসন, পিঠে তৈরীর নানা ছাঁচসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র। কিন্তু বংশ পরম্পরায় কুমোররা দিন দিন আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে মৃৎশিল্প তৈরীতে।
আগের দিনে এই মৃৎশিল্পের কদর ছিল অনেক। কুমোররা হাতের নৈপুণ্য ও কারিগরী জ্ঞান দিয়ে তৈরী করত বিভিন্ন ধরনের শখের মৃৎশিল্প। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ছাড়াও তার তৈরী করত উৎসব-পার্বণের জন্য নানা রং এর বাহারি মাটির জিনিস। মাটির ওইসব তৈজসপত্র তৈরীতে ওই শিল্পের কারিগরদের ক্লান্তিহীন পরিশ্রম, মাটি ও কিছু ছোটখাট যন্ত্রপাতির। সবার আগে যেটা দরকার তা হল একটি কাঠের চাঁকা। এই চাঁকায় নরম মাটির তাল লাগিয়ে নানা রকম মাটির জিনিস তৈরী করে থাকে তারা। কালের আবর্তে মাটির তৈরি তৈজসপত্রের ব্যবহার কমে যাওয়ায় বর্তমানে নন্দীগ্রাম উপজেলার কুমোরদের এখন দুর্দিন। অভাব-অনটন তাদের নিত্য সঙ্গী। ওই মাটির জিনিস তৈরী করে সংসার চালানো এখন আর তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। কারণ আগের দিনে ন্যায় এখন আর মৃৎশিল্পের তেমন কদর নেই। হাটে বাজারে তেমন বিক্রয় হয় না মাটির তৈরী জিনিস পত্র।
সরেজমিনে কথা হয় উপজেলার আমড়া গোহাইল কুমোর পল্লীর খকেন্দ্র নাথ পাল এর সাথে। তিনি বলেন, আমরা বাপ-দাদার আমল থেকে এই পেশার সাথে জড়িত। ছাড়তে চাইলেও এই পেশা ছাড়তে পারছি না। আমার সংসারে দু’টি মেয়ে। সংসারের মোট ৪ জন সদস্য। মাটির জিনিস বিক্রয় করে সারা মাসে যা আয় করি তা দিয়ে অনেক কষ্ট করেও মাস চলে না। জীবন চালানোর তাগিদে হয়তোবা এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার যদি আমাদের মৃৎশিল্পের উপর সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে তাহলে হয়তোবা আমরা এই মৃৎশিল্প কে টিকিয়ে রাখতে পারব। অত্যাধুনিক এই ডিজিটাল যুগে মৃৎশিল্পের কথা হয়তো কেউ মনে রাখেনি। বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তবেই ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব।অন্যদিকে দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পাবে দেশের হাজারও মৃৎশিল্প কারিগররা।

Need Ads
error: কপি হবে না!