ads

বুধবার , ২২ জুলাই ২০২৬ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানীতে হুইল চেয়ার পেলেন প্রতিবন্ধী শিশু মানসুরা

স্টাফ রিপোর্টার
জুলাই ২২, ২০২৬ ৬:০০ অপরাহ্ণ

শেরপুরে জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জুলাই বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষ রজনীগন্ধায় ওই গণশুনানী করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। গণশুনানীতে নিজ নিজ সমস্যার সমাধান পেতে প্রতিনিয়তই জেলা প্রশাসকের দ্বারস্থ হচ্ছেন তৃণমূলের দুইশো থেকে আড়াইশো মানুষ। জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনও আন্তরিকতার সাথে সবার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। হতদরিদ্র মানুষ ও শিক্ষার্থীদের দিচ্ছেন আর্থিক সহযোগিতাও।

Shamol Bangla Ads

এরই ধারাবাহিকতায় গেল বুধবারের গণশুনানীতে জেলা প্রশাসকের কাছে সদর উপজেলার কামারিয়া এলাকার হতদরিদ্র রুনা আক্তার তার ৭ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী শিশু কন্যা মানসুরা আক্তারের জন্য একটি হুইল চেয়ার দাবি নিয়ে গণশুনানিতে আসেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের কাছে। ওইসময় জেলা প্রশাসক তাকে হুইলচেয়ার প্রদানের আশ্বাস দিয়ে ২২ জুলাই বুধবার আসতে বলেন।

সে হিসেবে ২২ জুলাই বুধবার বিকেলে গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন প্রতিবন্ধী শিশু কন্যা মানসুরার জন্য একটি হুইলচেয়ার প্রদান করেন। ওইসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাইফুল ইসলাম কমল, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সাংবাদিক জুবাইদুল ইসলাম, জাহিদুল খান সৌরভ ও শিশু মানসুরার মা রুনা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

Shamol Bangla Ads

হুইল চেয়ার পেয়ে মানসুরার মা রুনা আক্তার বলেন, মেয়েটাকে নিয়ে খুব বিপদে ছিলাম। তার সাত বছর বয়স হলেও সে নিজে থেকে দাঁড়াতেও পারে না। তাই গত বুধবার ডিসি ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করলে তিনি মেয়েটির জন্য এই হুইল চেয়ার দেয়ার আশ্বাস দেন। আজকে এই হুইল চেয়ারটা পেয়ে খুবই আনন্দিত হয়েছি এবং খুব ভালো লাগছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, প্রতি বুধবার জেলা প্রশাসকদের গণশুনানির অংশ হিসেবে প্রতি সপ্তাহেই এ ধরনের নানা অসহায় মানুষের কথা শুনে এবং চেষ্টা করি সাধ্যমত সহযোগিতা করার। এরই ধারাবাহিকতায় আজ এই ফুটফুটে প্রতিবন্ধী শিশুটির জন্য আমি একটি হুইলচেয়ার প্রদান করি। যাতে করে ওই শিশু কন্যার মায়ের কাজ কর্মে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে আসে।

Need Ads
error: কপি হবে না!