ads

বৃহস্পতিবার , ২৩ অক্টোবর ২০২৫ | ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ভোটাররা একক প্রার্থীর বিপরীতে ‘না’ ভোট দিতে পারবেন: আসিফ নজরুল

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
অক্টোবর ২৩, ২০২৫ ৭:২৮ অপরাহ্ণ

ভোটাররা চাইলে একক প্রার্থীর বিপরীতে ‘না’ ভোট দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, যে আসনে একজন প্রার্থী থাকবে, সেখানে না ভোটের বিধান রাখা হয়েছে। ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সে সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

Shamol Bangla Ads

আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, আপনাদের ২০১৪ সালের ভুয়া ইলেকশনের স্মৃতি নিশ্চই মনে আছে। ১৫৪টা আসনে একজন প্রার্থী ছিল। সাজানো নির্বাচন ছিল। এ ধরনের নির্বাচন যেন না হয়, একজন প্রার্থী থাকলে সেখানে যারা ভোটার আছে, তারা না ভোট দিতে পারবে। প্রার্থী পছন্দ না হলে না ভোট দেবে। তখন সেখানে আবার নির্বাচন হবে। তিনি আরও বলেন, জোটের ক্ষেত্রে যদি নির্বাচনী জোট হয়, জোটের অংশ হলেও দলের যে প্রতীক সেটাতে ইলেকশন করতে হবে। যাতে ভোটাররা ক্লিয়ার আইডিয়া পান যে কোন দলের।

পোস্টাল ব্যালেটে প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, যারা ইলেকশনে কাজে ব্যস্ত থাকেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রিজাইডিং অফিসার বা অফিসার যারা নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকেন, লাখ লাখ মানুষ নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকেন, উনাদের ভোট দিতে ভোট দেওয়ার স্কোপ ছিল না। আমাদের বিধান করেছি যে, পোস্টাল ব্যালেটে উনারা ভোট দেবেন। আমাদের যারা প্রবাসী আছেন, উনারা পোস্টাল ব্যালেটে ভোট দেবেন। ইলেকশন কার্যক্রমে যারা নিয়োজিত থাকবেন, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন। ভোট কাউন্টিং এর জায়গাতে মিডিয়া থাকতে পারবে, সেটার বিধান করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

আইন উপদেষ্টা বলেন, যারা রাজনৈতিক দলকে টাকা পয়সা দেবেন, দান অনুদান বা চাঁদা যেভাবে হোক না কেন, ৫০ হাজার টাকা বা তার বেশি হলে এটা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দিতে হবে। যিনি দেবেন তার ট্যাক্স রিটার্নটাও জমা দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগের আইনের বিধান ছিল যে কোনো একটা নির্বাচনী এলাকায় যদি কোনো ভোট কেন্দ্রে গণ্ডগোল হতো সে ভোট কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করার বিধান ছিল। এখন নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে একটা নির্বাচনী এলাকাতেই এত বেশি অনিয়ম হয়েছে যে পুরো নির্বাচনী এলাকার ভোট বাতিল করা উচিত, তাহলে ইলেকশন কমিশন সেটা করতে পারবে। সেই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!