ads

বৃহস্পতিবার , ২৮ আগস্ট ২০২৫ | ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

লালনের তিরোধান দিবসকে জাতীয় দিবস ঘোষণা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ২৮, ২০২৫ ৯:১৮ অপরাহ্ণ

লালনের তিরোধান দিবসকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস ঘোষণা করা হয়েছে। ২৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

Shamol Bangla Ads

তিনি বলেন, একটা দেশকে ফিজিক্যাল কলোনি বানানোর আগে প্রথম যে কাজটা করতে হয় সেটা হচ্ছে তাকে ইন্টেলেকচুয়াল কলোনিতে রূপান্তরিত করা। তাকে প্রতিনিয়ত বোঝানো যে তোমার কোনো সংস্কৃতি নেই। থাকলেও তোমার সংস্কৃতি লো কালচার। যেমন ধরেন, লালনের গান। হেজেমনিক কালচারের ফ্রেমের সঙ্গে মিলছে না বলে এটাকে হাই আর্ট মানতে পারল না আমাদের উপনিবেশিক মন। ভদ্রসমাজ তখন চিন্তা করল এটাকে নিয়ে কী করা যায়? সহজ সমাধান হিসেবে ট‍্যাগ দিয়ে দিল ‘ফোক’। মানে মেইনস্ট্রিম না, সাব কালচার। তারপর ধরেন রক মিউজিক। এটা নিয়েও ভদ্রসমাজ বিপদে পড়ে গেল। একে তো তাদের সেট করা ‘হেজেমনিক ফ্রেমে’। হাই আর্ট হিসেবে ধরা যাচ্ছে না। সহজ সমাধান করল ট‍্যাগ দিয়ে ‘অপসংস্কৃতি’।

Shamol Bangla Ads

তিনি আরও বলেন, এভাবে আমাদের রাষ্ট্র বা এস্টাবলিশমেন্ট চিরকাল আমাদের গৌরবময় ঐশ্বর্যগুলোকে রাষ্ট্রীয় উদযাপন ও স্বীকৃতির বাইরে রেখেছে। চব্বিশ-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রের দায় হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের চর্চা এবং অংশগ্রহণে যে সংস্কৃতি আন্তর্জাতিকমানের হয়ে উঠেছে সেটাকে সেলিব্রেট করা। এই সেলিব্রেশন জাতিকে আত্মবিশ্বাসী ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ করে তোলে। পাশাপাশি এই সেলিব্রেশন বাইরের দুনিয়ায় আমাদের নিজেদের কালচারাল আইডেন্টিটি তৈরিতে সাহায্য করে।

জাতীয় দিবস ঘোষণা প্রসঙ্গে ফারুকী বলেন, এর প্রথম ধাপ হিসেবে আজকে ক‍্যাবিনেটে লালনের তিরোধান দিবসকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরো কয়েকজন কালচারাল আইকন এবং কনটেমপোরারি মাস্টারকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এস এম সুলতানের জন্মদিনকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসাবে উদযাপন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি আলোচনা করেছি, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের বড় কালচারাল ফেনোমেনাগুলো নিয়ে। যেমন হুমায়ূন আহমেদ। আমার মনে হয় না তার চেয়ে বেশি ইমপ‍্যাক্ট আমাদের লেখকদের মধ‍্যে কেউ রাখতে পেরেছেন। আলোচনা করেছি বাংলাদেশি রক আইকন সেলিব্রেট করার বিষয়ে।

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, লালন সেলিব্রেট করা দিয়ে আমরা রবীন্দ্র-নজরুলের বাইরে তাকাতে শুরু করলাম। এটা কেবল শুরু। আমি নিশ্চিত সেদিন বেশি দূরে না যখন কনটেমপোরারি মাস্টার আর্টিস্টদেরও আমরা সেলিব্রেট করব রাষ্ট্রীয়ভাবে। ধরা যাক, আইয়ুব বাচ্চুর কথাই। বাংলাদেশের এমন কোনো বর্গকিলোমিটার এলাকা পাওয়া যাবে না, যেখানে তার গান বাজেনি। তার মানের মিউজিয়াশিয়ান যেকোনো দেশের জন‍্যই গর্বের। তার জন্মদিন রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন করতে মৃত‍্যুর কয় শো বছর পর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে? দ‍্য আনসার, মাই ফ্রেন্ড, ইজ ব্লোয়িং ইন দ‍্য উইন্ড।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!