ads

শনিবার , ২৩ আগস্ট ২০২৫ | ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

গাজার বিপর্যয়ে উদ্বিগ্ন সৌদি আরব

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ২৩, ২০২৫ ১:০৭ অপরাহ্ণ

মধ্যপ্রাচ্যের নির্যাতিত রাষ্ট্র ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থা আইপিসি (ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন)। মানবিক এই বিপর্যয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র সৌদি আরব। এমনকি তারা দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার যুদ্ধ চালানোর অভিযোগ তুলেছে।

Shamol Bangla Ads

আজ শুক্রবার (২২ আগস্ট) সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির মাধ্যমে বলেছে, ইসরায়েলের অপরাধের পুনরাবৃত্তি এবং তার বিরুদ্ধে জবাবদিহিতার অভাবের কারণেই গাজায় মানবিক বিপর্যয় আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

সৌদি আরবের ভাষায়, এই যুদ্ধ থামাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা যদি এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তবে এটি তাদের বিবেকের ওপর ‘একটি কলঙ্ক’ হয়ে থাকবে।

Shamol Bangla Ads

দুর্ভিক্ষের ভয়াবহ চিত্র

জাতিসংঘ-সমর্থিত সংস্থা আইপিসি জানিয়েছে, গাজার কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত গাজা সিটি ও আশপাশের এলাকায় ইতিমধ্যেই দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে। ওই অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তার সর্বোচ্চ স্তর ‘ধাপ-৫’ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মানে হলো—মানুষ অনাহারে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে রয়েছে, খাদ্য পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

এরপরই দুর্ভিক্ষের হুমকিতে রয়েছে দেইর এল-বালাহ ও খান ইউনুস শহর। সংস্থাটি জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এই এলাকাগুলোতেও দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে, যার ফলে গাজাজুড়ে প্রায় ৫ লাখ মানুষ চরম খাদ্য সংকটে পড়বে।

আইপিসি আরও জানিয়েছে, গাজার মোট জনসংখ্যার ৫৪ শতাংশ (প্রায় ১০ লাখ ৭ হাজার মানুষ) বর্তমানে ‘ধাপ-৪’ এ অবস্থান করছেন—যা খাদ্য জরুরি অবস্থা। আরও তিন লাখ ৯৬ হাজার মানুষ (২০ শতাংশ) ‘ধাপ-৩’ এ রয়েছেন, তারাও চরম খাদ্য অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকিতে।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় বর্বর সামরিক অভিযান ও অবরোধ শুরু করে ইসরায়েল। ফলে খাদ্য, পানি, ওষুধসহ মৌলিক সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতি প্রাকৃতিক নয়, বরং এটি একটি মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ, যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন।

সৌদি আরবের বিবৃতিতে এ পরিস্থিতিকে “গণহত্যামূলক যুদ্ধ” হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলা হয়, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় বিশ্ব সম্প্রদায় ইতিহাসের দায় এড়াতে পারবে না।

সূত্র: সৌদি গ্যাজেট

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!