শেরপুরের শ্রীবরদীতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়েছেন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু (৪৮) নামে এক সংবাদকর্মী। গত ৮ মে বুধবার রাতে ষষ্ঠ শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তথ্য সংগ্রহকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে যাওয়ার সময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা প্রার্থী হাবিবুল্লাহ হাবি ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীরা সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে আহত হন সাংবাদিক মঞ্জু। তিনি শেরপুর প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও ইংরেজি সংবাদপত্র ডেইলি ইন্ডাস্ট্রির শেরপুর প্রতিনিধি।এদিকে ওই ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিলেও এখনো কেউ গ্রেফতার হয়নি।

আহত সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, গত ৮ মে বুধবার ষষ্ঠ শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তথ্য সংগ্রহের জন্য তিনি দিনব্যাপী ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ভোট শেষে রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত নির্বাচনী কন্ট্রোলরুমে প্রবেশের সময় উপজেলা পরিষদ গেইটে যাওয়া মাত্রই আইসক্রিম প্রতীকের পরাজিত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাবশালী সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাবিবুল্লাহ হাবি ও তার সহোদর ভাই চাঁদাবাজি মামলায় বিগত সময়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া বিল্লাল হোসেনসহ তাদের সহযোগীরা মঞ্জুর উপর হামলা চালায়। এতে আহত হন মঞ্জু। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার উপর হামলার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে হাবিবুল্লাহ হাবি মিথ্যা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার দলীয় সংসদ সদস্য, শেরপুরের পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাচনের দায়িত্বরত রিটার্নিং কর্মকর্তা সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

এদিকে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের উপর অতর্কিতভাবে হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন শেরপুর ও শ্রীবরদী উপজেলায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীরা। অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সাবেক কাউন্সিলর হাবিবুল্লাহ হাবিবের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম খান সিদ্দিকী অভিযোগ দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লিখিত অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




