শেরপুরের শ্রীবরদীতে জসিম মিয়া (১৩) নামে এক কিশোরকে হত্যা করে ভ্যানগাড়ি ছিনতাইয়ের পর সেটি বিক্রি করতে গিয়ে আটক হয়েছে মো. মাসুদ মিয়া (৩৫) নামে এক ছিনতাইকারী। ৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের হাঁসধরা গ্রামের ধান ক্ষেত থেকে ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এর আগে বুধবার রাতে ছিনতাইয়ের মূল হোতা মাসুদকে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করে পুলিশ। নিহত ভ্যানচালক জসিম হাঁসধরা গ্রামের মো. গোলাপজলের ছেলে। আর আটক মাসুদ পার্শ্ববর্তী বিলভরট গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নিহত জসিম হাসধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ভাড়া যাওয়ার কথা বলে পার্শ্ববর্তী বিলভরট গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে মাসুদ মিয়াসহ (৩৫) ৪/৫ জন মিলে তার ভ্যানগাড়ি ভাড়া নেয়। পরে তারা জসিমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ওই গ্রামের বড়ইকুচি সড়কের পাশে ধানক্ষেতে লাশ ফেলে ভ্যানগাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।

এদিকে ওই রাতেই ছিনতাইকৃত ভ্যানগাড়ি বিক্রি করতে এলে শহরের উত্তর বাজারের লোকজন মাসুদকে সন্দেহাতীতভাবে আটক করে থানায় দেয়। পরে জসিমের পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান শুরু করে শ্রীবরদী থানা পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাঁসধরা গ্রামের লোকজন জসিমের লাশ একটি ধানক্ষেতের পাশে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীবরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নাঈম মো. নাহিদ হাসান বলেন, ওই ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে ঘটনায় জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




