সাইফুল ইসলাম , বাবুগঞ্জ(বরিশাল) : অবহেলিত বরিশালের ১০ টি উপজেলার মধ্যে বাবুগঞ্জ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা । এ উপজেলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী একটি থানা হল বাবুগঞ্জ থানা। এ থানার পুলিশকে যানবাহনের অভাবে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এক দিকে যানবাহন স্বল্পতা অন্য দিকে বর্তমানে ব্যবহৃত গাড়ীটি ভাংগা চোরা, পুরনো এবং যান্ত্রিক ত্রুটি যুক্ত হওয়ার কারণে নিত্য নৈমিত্তিক কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা ব্যহৃত হচ্ছে। আর তাই জরুরী প্রয়োজনে পুলিশকে বাধ্য হয়েই ব্যবহার করতে হচ্ছে লক্কর ঝক্কর ভাড়ায় চালিত পিকআপ ভ্যান। এতে করে পুলিশের সাধারণ অভিযানের পাশাপাশি ভাটা পরেছে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে।

একটি সূত্রে জানা গেছে বাবুগঞ্জ থানা এলাকায় ১ টি থানা ও ১ টি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ও একটি পুলিশ ক্যাম্পে, পিকআপ ভ্যান রয়েছে ১ টি থাকলেও প্রায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রায় সময়ই পুলিশ সদস্যদের রাস্তায় নেমে গাড়ী ঠেলার দৃশ্য মানুষের কাছে এখন অতি পরিচিত। বাবুগঞ্জ থানায় অফিসার্স ইন-চার্জ সূত্রে জানা গেছে বর্তমানে বাবুগঞ্জ থানায় যে গাড়ীটি রয়েছে তা ৩২ বছরের পুরনো। মাঝে মধ্যে গাড়ীটি মেরামত করা হলেও তা তাড়াতাড়ী দুর্বল হয়ে পড়ছে। এমনকি সরকারী কোন মোটরসাইকেলও নেই। এছাড়াও তিনি আরো জানান, যানবাহন স্বল্পতার কারণে ভাড়ায় চালিত মেজিক, সিএনজি নিয়ে নাইট ডিউটি করতে হচ্ছে যা খুবই কষ্টকর। চলতি বর্ষা মৌসুমে রাতের বেলা অনেক সময় বৃষ্টিতে ভিজে ভিজেই পুলিশ সদস্যদের ডিউটি করতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যানবাহন স্বল্পতার কারণে বাবুগঞ্জ থানার কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা ওইসব গাড়ী নিযে কোন রকমে জোড়াতালি দিয়ে দায়িত্ব পালন করলেও বিভিন্ন গ্রামে অবস্থিত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যদের আরও প্রতিকুলতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে লক্কর ঝক্কর গাড়ীর উপর ভরসা করে দায়িত্ব পালন করতে হয়।
এ ব্যাপাওে বাবুগঞ্জ থানা সেকেন্ড অফিসার গাজী শামীম জানান, বাবুগঞ্জ থানার গাড়ীটি ভাল না থাকায় পুলিশের দায়িত্ব পালন অনেক সময় দুরূহ হয়ে পড়ছে। তিনি আরও বলেন আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে আইন-সৃংখলা পরিস্থিতি মোকাবেলায় করতে দ্রুত যাতায়াতের জন্য অনতিবিলম্বে একটি নতুন পুলিশ পিক-আপ জরুরী হয়ে পড়েছে।




