শেরপুর বিচার বিভাগের কার্যক্রম পরিদর্শনে সন্তোষ প্রকাশ
শেরপুরে কর্মরত জজশীপ ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির বিচারকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারক মো. জাকির হোসেন। তিনি ১৬ জুলাই শনিবার দুপুরে জজকোর্ট সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

ওইসময় তিনি বলেন, বিচারপ্রার্থী মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বিচারকদের ভূমিকা অপরিসীম। এক্ষেত্রে বিচারকদের স্টাফসহ বিচার কাজে সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্বশীলতাও যেমন অপরিহার্য, ঠিক তেমনি তাদের দায়িত্বশীলতা বাড়াতেও বিচারকদেরই মূখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। তা না হলে বিচারপ্রার্থী মানুষ দ্রুততম সময়ে তো নয়ই, বিলম্বেও ন্যায় বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। অন্যদিকে তিনি শেরপুর বিচার বিভাগের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শনে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আল মামুনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আখতারুজ্জামান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট এসএম হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুস সবুর মিনা, ল্যান্ডসার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক লুৎফুল মজিদ নয়ন, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ইসমেত জাহান ও একেএম জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান মাহমুদ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর আল মামুন প্রমুখ।

পরে বিচারপতি জাকির হোসেন আদালতের উভয় বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথেও কথা বলেন। জানা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগের বিচার বিভাগীয় মনিটরিং টিমের দায়িত্বের অংশ হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. জাকির হোসেন শেরপুর বিচার বিভাগের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিচারপতির ব্যক্তিগত সহকারি মো. আবু নাসের মজুমদার জানান, রবিবার জামালপুরে বিচার বিভাগের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন বিচারপতি মো. জাকির হোসেন।
শেরপুর বিচার বিভাগের নাজির সাইফুল ইসলাম লেবু জানান, বিচারপতি মো. জাকির হোসেন ১৫ জুলাই শুক্রবার দুপুরে শেরপুর সার্কিট হাউজে পৌঁছলে বিচার বিভাগের তরফ থেকে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আল মামুন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আখতারুজ্জামান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট এসএম হুমায়ুন কবীর, নির্বাহী বিভাগের তরফ থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাহেলা আক্তার ও পুলিশ বিভাগের তরফ থেকে পুলিশ সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরী তাকে পৃথক পৃথকভাবে অভ্যর্থনা জানান। ওইসময় তাকে পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।




