ads

শনিবার , ৯ এপ্রিল ২০২২ | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীর পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট

খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী - ফটো কার্ড
এপ্রিল ৯, ২০২২ ৪:২৬ অপরাহ্ণ

শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে নদী-নালা, ডোবা ও মাটির কুয়ার দূষিত পানি পান করে নানা ধরনের পেটের পীড়াসহ পানিবাহিত রোগে ভুগছেন শতশত মানুষ।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি গ্রামগুলোতে চলতি মৌসুমে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। এতে শতশত অগভীর নলকূপ অকেজো হয়ে পড়েছে। এসব অকেজো নলকূপে পানি উঠছে না। ফলে পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পাহাড়ি গ্রামবাসীরা খাল-বিল,নদী- নালা ও মাটির কুয়ার দূষিত পানি পান করার পাশাপাশি গৃহস্থালির কাজেও ব্যবহার করতে হচ্ছে দূষিত পানি। আবার অনেকে অন্যগ্রাম থেকে পানি সংগ্রহ করে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হচ্ছেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরই শুষ্ক মৌসুমে সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রায় ৩০টি পাহাড়ি গ্রামে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়। এ সময় শতশত অগভীর নলকূপ অকেজো হয়ে পড়ে। ফলে বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়।

ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুকুনুজ্জামান, কাংশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান বলেন, পাহাড়ি গ্রামবাসীর বেশিরভাগই দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন। তাই আর্থিক সংকটের কারণে গভীর নলকূপ স্থাপন তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠে না। তাই স্বল্প পরিসরে ২০ থেকে ৩০ ফুট লেয়ারে যে পানি পাওয়া যায় সে অনুযায়ী চাপ কল স্থাপন করে ওই পানিতে জীবন ধারণ করেন পাহাড়ি গ্রামবাসীরা।

Shamol Bangla Ads

হালচাটি গ্রামের দ্বিজ্য মোহন কোচ, ছোট গজনী গ্রামের ফিলিসন সাংমা বলেন, শুস্ক মৌসুমে পানির স্তর নিচে নেমে গেলে নলকূপগুলো অকেজো হয়ে পড়ে। ফলে পাহাড়ি গ্রামগুলোতে দেখা দেয় বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট। বর্তমানে ও খাবার পানির তীব্র সংকট চলছে।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা রাধা বল্লব বলেন প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ১০০ থেকে ১২০ ফুট নিচে নেমে যায়। ফলে স্বল্প লেয়ারের নলকূপগুলোতে পানি উঠে না। এতে এলাকায় দেখা দেয় বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট। তিনি বলেন সরকারিভাবে যে পরিমাণে গভীর নলকূপ বরাদ্দ পাওয়া যায় তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

Need Ads