দেশে একদিনে এক কোটি করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সারাদেশের ন্যায় শেরপুরেও গণটিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) প্রাঙ্গণে এ টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আতিউর রহমান আতিক এমপি।

গণটিকা কার্যক্রম উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ, সিভিল সার্জন ডা. অনুপম ভট্টাচার্য্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডা. ভালবিন্দর সিং, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মোবারক হোসেন, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন রহমান অমি, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. সারওয়ার জাহান প্রমুখ।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মোবারক হোসেন জানান, সদর উপজেলায় চার লক্ষ ১১ হাজার মানুষকে টিকাদানের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। এর মধ্যে তিন লক্ষ ৪৮ হাজার মানুষ প্রথম ডোজ নিয়েছেন। সদর উপজেলার বাকি ৬৩ হাজার মানুষকে গণটিকার আওতায় টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গণটিকার ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন বা জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা জন্মনিবন্ধন সনদ লাগছে না। শুধুমাত্র মোবাইল নম্বর ও নাম-ঠিকানা লিখে নারী-পুরুষ ও ১২ বছরের ঊর্ধ্বে শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. অনুপম ভট্টাচার্য্য জানান, জেলার ২২৮ টি কেন্দ্রে গণটিকা কার্যক্রম চলছে। আমরা একদিনে জেলায় দুই লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। টিকাকেন্দ্রগুলোতে প্রচুর মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যদিও সময় বাড়ানো হয়েছে, তারপরও আজ যারা টিকা নিতে আসছে রাত হলেও তাদের সবাইকে টিকা দেওয়া হবে।




