শেরপুরে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। নতুন করে ১৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার আরও ৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হলো ৪ হাজার ৮২৪ জন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে ওই তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. একেএম আনওয়ারুর রউফ।

এদিকে জেলায় গত ডিসেম্বর মাসজুড়ে মাত্র ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হলেও চলতি জানুয়ারি মাসের গত এক সপ্তাহেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ জন। জনসাধারণ সচেতন না হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকাশিত বুলেটিনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫ জন। এর মধ্যে তিন জন সদর উপজেলার বাসিন্দা। এছাড়া নকলা ও ঝিনাইগাতীতে একজন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন। মোট ২৯টি নমুনা পরীক্ষায় ওই ৫ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১৭.২৪ ভাগ। জেলায় মোট আক্রান্ত ৪ হাজার ৮২৪ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৭১৫ জন। এছাড়া জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯২ জন। বর্তমানে জেলায় করোনা রোগী রয়েছেন ১৭ জন। আক্রান্ত সবাই নিজ নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন।

এ ব্যাপারে শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. একেএম আনওয়ারুর রউফ শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে জানান, শুধু শেরপুরে নয়, সারা বাংলাদেশেই করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। এর কারণ হচ্ছে অমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। করোনা ভাইরাসের এ ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়েও দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে। কাজেই করোনার বিস্তার রোধে জনসাধারণকে সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধ মানা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণসহ মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই। এছাড়া করোনার টিকা গ্রহণের উপরও জোর দেন তিনি। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও টিকা গ্রহণ সাপেক্ষেই অমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।




