শেরপুরের নকলায় তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠেয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাঠাকাটা ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়নপ্রত্যাশী পাঠাকাটা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড নকলা উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি আবু শামীম মমতাজকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও অপবাদমূলক প্রচার চালিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি। ১৮ অক্টোবর সোমবার রাতে পাঠাকাটা ইউনিয়নের বালিগঞ্জ বাজারে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। আবু শামীম উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের কৈয়াকুড়ি কান্দাপাড়া গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলীর ছেলে।

আবু শামীম মমতাজ লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। পাঠাকাটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। বর্তমানে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। আমি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড নকলা উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি। দীর্ঘদিন যাবৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার নামে ভূয়া ফেসবুক আইডি খুলে বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ কারণে আমি ২০১৮ সালের ৩ মে নকলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি এবং ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি শেরপুর সদর থানায় আরেকটি সাধারণ ডায়েরি করি।
তিনি আরও জানান, আমি তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাঠাকাটা ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে দলীয় কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করেছি। ফরম সংগ্রহের পর থেকে একটি কুচক্রীমহল আমাকে নানাভাবে হেনস্থা করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমার জনপ্রিয়তা, সামাজিক অবস্থান এ ইতিবাচক রাজনৈতিক কর্মকান্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে তারা আমার মান মর্যাদা ক্ষুন্ন এবং আমাকে দলীয় অবস্থান থেকে সরানোর জন্য এসব কর্মকান্ড চালাচ্ছেন। তারা আমার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ছবি সুকৌশলে সংগ্রহ করে তা এডিট করে বিকৃতরূপে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করছে। আমি এসবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে সময় পাঠাকাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নবীউর রহমান, প্রচার সম্পাদক ছাইফুল ইসলাম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রহুল আমিন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তযোদ্ধা মমতাজ আলী মন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানসহ স্থানীয় ভোটারগণ উপস্থিত ছিলেন।




