স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঘটনার দীর্ঘ ১ মাস পরে হলেও শেরপুরের ঝিনাইগাতীর চাঞ্চল্যকর বৃদ্ধা ফজিলা খাতুন হত্যা মামলায় ২ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ৩০ জুন শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার বামনেরচর এলাকার এক আত্মীয় বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৮) ও মৃত মুসলিম উদ্দিনের ছেলে মমিজল ইসলাম (৫৫)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছায়েদুল ইসলাম ওই ২ জনের গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ রবিবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নিবিরভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ পেলে মামলার তদন্তে যথেষ্ট অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে।
জানা যায়, গত ২৪ মে রাতে ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে সেকান্দর আলী ও তার ২ ছেলে শাজাহান ও সোহেল মিয়া গংদের সাথে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে স্থানীয় মৃত আমজাদ হোসেনের স্ত্রী ফজিলা খাতুন (৭৫) নৃশংসভাবে খুন হয়। পরদিন তার বসতবাড়ির পশ্চিমপাশের টয়লেটের সাথে কলাগাছের ঝোপে তার গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়। ওই ঘটনায় ফজিলা খাতুনের ছেলে আব্দুর রেজ্জাক বাদী হয়ে মমিজল ইসলাম ও রফিকুল ইসলামসহ একই গোত্রের ৭ জনের নামোল্লেখ করে তাদের সাথে জমিসংক্রান্ত বিরোধ ও ঝগড়া-ঝাঁটির কথা উল্লেখ করে ঝিনাইগাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার পর থেকেই ওই ৭ জনসহ তাদের আরও কয়েকজন লোক পলাতক ছিল।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল কাদির মিয়া বলেন, গ্রেফতারকৃত ২ ব্যক্তি মামলায় সরাসরি আসামী নয়। তবে তাদের সাথে জমিসংক্রান্ত বিরোধ ও ঝগড়া-ঝাঁটির কারণে মামলায় সন্ধিগ্ধ থাকায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারসহ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চলছে।




