শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ শেরপুরের শ্রীবরদীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেঁজুতি ধরের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এক স্কুলছাত্রী (১৪)। সে পৌর শহরের তাতিহাটি আইডিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে ৪ মার্চ রবিবার রাতে।
জানা যায়, শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম রানীশিমুল গ্রামের নবম শ্রেণির ছাত্রীর সাথে একই গ্রামের ধুলু চন্দ্র বর্মনের ছেলে লিটন চন্দ্র বর্মনের সাথে বিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেঁজুতি ধরের নির্দেশনায় ও ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানার সহযোগিতায় ইউনিসেফের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম ও ইউনিয়ন কো-অর্ডিনেটর রাশেদ মাহমুদ এবং বাদল মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের বাবা-মা’র সাথে বাল্য বিবাহের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে মেয়ের বাবা পানু বর্মন নিজের ভুল বুঝতে পেরে তাৎক্ষনিকভাবে বিবাহ ভেঙে দেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেঁজুতি ধর জানান, বাল্য বিবাহের খবর শুনে ইউনিসেফ কর্মী ও ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম। তারা বাল্যবিবাহটি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে।




