ads

মঙ্গলবার , ১২ মে ২০১৫ | ১৪ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

দিনাজপুরে ১২’শ বছর আগের পাল যুগের প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির সন্ধান

Dinajpur-01শাহ্ আলম শাহী,দিনাজপুর : দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে সন্ধান পাওয়া গেছে এক হাজার দু’শ বছর আগের পাল যুগের প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির। এ মন্দিরের প্রতœতাত্ত্বিক খনন কাজ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতœতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। প্রাচীন যুগের এ মন্দিরের সন্ধান ও খনন কাজ নিয়ে এলাকায় আলোড়ন চলছে। দেখার জন্য সেখানে প্রতিদিন ভীড় করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য উৎসু কৌতুহলী মানুষ।
দিনাজপুর শহর থেকে ৩৫ কিলো মিটার পশ্চিমে বোচাগঞ্জ উপজেলার ৬নং রণগাঁও ইউনিয়নের বাসুদেবপুরে ইটাকুড়া ঢিবি। এ ঢিবি দেখার জন্য এখানে প্রতিদিন ভীড় বাড়ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য উৎসু কৌতহলীু মানুয়ের। এখানে সন্ধান পাওয়া গেছে, এক হাজার দু’শ বছর আগের পাল যুগের প্রাচীন বদ্ধ মন্দির। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতœতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ তা খনন ও সরক্ষণের কাজ করছেন। প্রতœতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষর্থীরা ছাড়াও মহাস্থান গড় থেকে আসা ১৪ জন অভিজ্ঞ খনন-কর্মী এবং স্থানীয় শ্রমিকগণ এই খননকাজে অংশ নিচ্ছেন। অচিরেই আরো শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ এই খননে অংশ গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন তারা।
এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে এ প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দিরের সন্ধান মেলে। এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখে শুরু হয় এই ঢিবিতে খনন কাজ। বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের গবেষণা মঞ্জুরী খাতের অর্থায়নে ও প্রতœতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. কামরুল আহছানের তত্ত্বাবধানে এবং প্রতœতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক ড. স্বাধীন সেনের পরিচালনায় চলছে এই খনন কাজ। এই খননের মাধ্যমে প্রাচীন বরেন্দ্র অঞ্চলের মানব বসতির ইতিহাস জানার ক্ষেত্রে নতুন তথ্য যোগ হবে বলে জানিয়েছেন ড. স্বাধীন সেন। তিনি জানান, ইতোপূর্বে বোচাগঞ্জ উপজেলায় প্রতœতাত্ত্বিক ও ভূপ্রতœতাত্ত্বিক জরিপ পরিচালিত হয়। সেই জরিপে অনধিক এক’শ ২২ টি প্রতœতাত্ত্বিক স্থান শনাক্ত ও নথিভুক্ত করা হয়। ওই গবেষণার ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রতœস্থানটি খননের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতœস্থানটি খাস জমি হলেও আশেপাশের মানুষজন ইট ও মাটি খুড়ে নিয়ে যাওয়ার কারণে প্রতœস্থানটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঢিবিটির উপরে বেশ কিছ ুজংলা গাছ থাকায় খননে কিছু সমস্যা হতে পারে বলে আশংখা প্রকাশ করা হচ্ছে।
খননের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করায় সহায়তা প্রদান করছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন। বাংলাদেশ সরকারের প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের বগুড়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক নাহিদ সুলতানা উক্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। দেখার জন্য এখানে প্রতিদিন ভীড় বাড়ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য উৎসু কৌতহলীু মানুয়ের।
পাশাপাশি ছাতইল ইউনিয়নের মাহেরপুর গ্রামে আরেকটি প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দিরের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গবেষক দল। এই দলটি এর আগে দিনাজপুরের বিরামপুর, ফুলবাড়ি, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, পার্বতিপুর, বীরগঞ্জ ও কাহারোলে প্রতœতাত্ত্বিক জরিপ ও ছয়টি প্রতœস্থানে খনন পরিচালনা করেছেন।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads