ads

বৃহস্পতিবার , ৬ নভেম্বর ২০১৪ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বগুড়ায় চিকিত্সককে লাঞ্ছিত করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক - ফটো কার্ড
নভেম্বর ৬, ২০১৪ ৭:৫১ অপরাহ্ণ

প্রতীক ওমর, বগুড়া: বগুড়ায় মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের এক চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ওই চিকিৎসক ও অফিসের কর্মচারিদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে এক কর্মচারির যোগদানপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে লাঞ্ছিত চিকিৎসক অভিযোগ করেছেন। বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান দুই সহসভাপতির নেতৃত্বে ৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। পরে বিএমএ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের নেতারা গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন।

Shamol Bangla Ads

হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিগত জোট সরকারের সময় আব্দুল্লাহেল বাকী নামের এক ব্যক্তি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ(শজিমেক) হাসপাতালে ফিডার মিস্ত্রি হিসেবে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে একই হাসপাতালে স্ববেতনে প্রধান সহকারি(হেড ক্লার্ক) হিসেবে নিয়োগ এনে কাজে যোগ দেন। এরপর সেখানে নানা অনিয়মের অভিযোগে তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল থেকে প্রথমে বরিশাল এবং পরে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলী করা হয়। সম্প্রতি তিনি আবারও স্ববেতনে প্রধান সহকারি হিসেবে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে বদলীর আদেশ নিয়ে আসেন। গত ১৬ অক্টোবর তিনি বদলীর কাগজ নিয়ে হাসপাতালে গেলেও তৎকালীন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. জিয়াউল আহসান তার যোগদানপত্র গ্রহণ করেননি। এর মধ্যে গত বুধবার ডা. শেখ মো. আরবাব হোসেন হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে যোগ দেন। বৃহস্পতিবার সকালে নতুন তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে দেখা করে আব্দুল্লাহেল বাকী যোগদানের আবেদন করেন। কিন্তু ওই যোগদানের সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ায় নতুন তত্ত্বাবধায়ক তাঁকে নতুন করে অফিস আদেশ এনে যোগদান করতে বলেন।
ডা. শেখ মো. আরবাব হোসেন অভিযোগ করে বলেন , আব্দুল্লাহেল বাকী হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ার পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রলীগের পরিচয় দিয়ে ১০ -১২জন যুবক তার কার্যালয়ে প্রবেশ করে। ছাত্রলীগ পরিচয় দেয়া যুবকরা তাঁকে লাঞ্ছিত করে এবং অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের প্রায় জিম্মি করে যোগদানপত্রে স্বাক্ষর করে নেয়। তিনি বলেন, এসময় তারা অশালীন ভাষায় গালাগালি করার পাশাপাশি ‘এই হাসপাতালে কাজ করতে হলে আমাদের কথা মতো চলতে হবে’ বলেও শাসিয়ে যায়। পরে তিনি বিষয়টি বিএমএ ও স্বাচিপ নেতাদের অবহিত করেন।
বগুড়া জেলা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. রেজাউল আলম জুয়েল বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই তিনিসহ স্বাচিপ নেতারা সেখানে যান। পরে তত্ত্বাবধায়ক ও ছাত্রলীগের নেতাদের কাছ থেকে পৃথক ভাবে তারা ঘটনা জেনেছেন। হাসপাতালের নিজস্ব বিষয় নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের হস্তক্ষেপ করা কোনভাবেই ঠিক হয়নি। এবিষয়ে পরবর্তীতে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বগুড়ায় হরতালে আ’লীগের হামলা : জামায়াত-শিবিরের ৫ নেতাকর্মি আহত

বগুড়ায় তৃতীয় দফা হরতাল চলাকালে রাস্তায় পিকেটিং করা সময় জামায়াত-শিবির কর্মিদের ওপর হামলা চালিয়েছে আওয়ামীলীগ। হামলায় ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরসহ ৫ নেতাকর্মি আহত হয়েছে। পুলিশ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জামায়াত-শিবিরের ১৬ নেতাকর্মিকে গ্রেফতার করেছে।
এদিকে হরতালে স্থবির হয়ে পড়েছে জীবনযাত্রা। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। হরতালে জামায়াত-শিবির কর্মিরা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মাঠে নামার চেষ্টা চালায়। কিন্তু শহরের গুরুত্বপূর্ন প্রতিটি এলাকাতেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করায় চারমাথা এবং সাবগ্রামে হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এসময় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে, গাছের গুড়ি ফেলে মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। সকাল ১০টার দিকে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের পালশায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুড়ি ফেলে অবরোধ করে শিবির কর্মিরা। পরে পুলিশ উপস্থিত হলে অবরোধকারীরা এলাকা ছেড়ে চলে যায়।
এদিকে, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর রাজ্জাক মিলনের নেতৃত্বে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মিরা দুটি ভটভটি নিয়ে হরতালের পিকেটিং এ জন্য যাওয়ার পথে নারুয়ামালা ইউনিয়নের হোসেনপুর ফরিপাড়ায় আ’লীগ নেতা খোরশেদ মেম্বারের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ কর্মিরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আব্দুর রাজ্জাক মিলনসহ ৫জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে কাগইল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর রাজ্জাক মিলন, বায়তুলমাল সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন এবং শিবির কর্মি শামীমের অবস্থা গুরুতর বলে জানাগেছে। তাদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে কাগইল ইউপি নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাবেক শিবির নেতা নুরুল ইসলাম আকন্দ জানিয়েছেন। বাকি দুইজনের পরিচয় জানা যায়নি।
বগুড়ার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) ও জেলা পুলিশের মিডিয়য়া সেলের প্রধান উজ্জল কুমার রায় জানান, হরতালে নাশকতা এবং ভাংচুরের অভিযোগে বুধবার রাতে জামায়াত-শিবিরের ১৬ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

 

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads