ads

বৃহস্পতিবার , ২৪ জুলাই ২০১৪ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

এবার ৩ হাজার অধিক শিক্ষকের ঈদে আগুন : অসহায় তাদের পরিবার

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ২৪, ২০১৪ ৪:২২ অপরাহ্ণ
এবার ৩ হাজার অধিক শিক্ষকের ঈদে আগুন : অসহায় তাদের পরিবার

ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী : হাতে গুনে মাত্র কয়েক দিন  পরে আসছে মুসলমানদের সবচে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদ-উল-ফিতর। ধর্মপ্রাণ মানুষের এ নিয়ে আয়োজনের যেন কমতি নেই  ধনি-গরিব সবায় মিলে  সেরে নিচ্ছেন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

Shamol Bangla Ads

কিন্তু নিত্য দৈন্যে যেন নাভিশ্বাস উঠছে রাজশাহী শিক্ষকদের। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে কেউ কেউ পেয়েছেন বোনাস। কিন্তু এখনো হাতে পাননি বেতন। ঈদের আগে তাদের বেতন পাওয়া নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। তবে  যত দ্রুত  সম্ভব তাদের বেতন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা। সুত্রেজানাগেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা সাকুল্যে বেতন পান ৯ হাজার ৫৩০টাকা। আর বছ কয়েক আগে  নিয়োগ  প্রাপ্তরা পান ৯ হাজার ৯০০ টাকার মত। তবে প্রশিক্ষণ প্রাপ্তরা পাচ্ছেন সাড়ে ১০ হাজরের মত। প্রধান শিক্ষকরা পাচ্ছেন প্রায় সাড়ে ১২ হাজার।

এরই মধ্যে বেসিক হিসেবে বোনাস পেয়েছেন তারা। তবে পাননি জুন মাসের মূল বেতন। আসন্ন ঈদের আগে তারা বেতন পাবেন কি’না এ নিয়েও রয়েছে সংশয়। কিন্তু ঈদ ঘনিয়ে আসায় পরিবার পরিজন নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়েছেন এসব সরকারী স্কুল  শিক্ষকনামের মানুষ।রেজিস্টার্ড থেকে সরকারী হওয়া বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা দিন কাটাচ্ছেন আরো চরম আর্থিক দৈন্যে। একই স্কেলে বেতন-বোনাস পেলেও বিভিন্ন সময় বেতন আটকে রয়েছে তাদের। নতুন করে যোগ হয়েছে ঈদ। এতে নাভিশ্বাস উঠছে তাদের।অন্যদিকে, সদ্য জাতীয়করণকৃত রেজিস্টার্ড বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘ দিন ধরে বেতন না পাওয়ায় তারা নানান আর্থিক দৈন্যে ভুগছেন। তাদের অর্থ-দৈন্যে রেখে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

Shamol Bangla Ads

শিক্ষকরা জানান, সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এখনো জুন মাসের বেতন পাননি। তবে বোনাস পেয়ে কিছুটা পরিস্থিতি সামাল নেয়ার চেষ্টা করছেন তারা। আগামী দু’এক দিনের মধ্যে বেতন না পেলে চরম বেকায়দায় পড়বেন তারা। পরিবার পরিজন নিয়ে তাদের ঈদ আনন্দই মাটি হয়ে যাবে বলে তারা জানান।

এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষন কেন্দ্রে (পিটিআই) প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া ৫৯ শিক্ষক এখনো তাদের বেতন বোনাস পাননি। উপজেলা শিক্ষা অফিসের ছাড়পত্র পেতে বিলম্ব হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, ছাড়পত্র চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই তারা বেতন পেয়ে যাবেন।

একই সংকটে রাজশাহীর এবতেদায়ী ও দাখিল মাদ্রাসা, বেসরকারী জুনিয়র ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরাও। সময়মত বেতন- বোনাস না পাওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে তারাও রয়েছেন চরম সংকটে। এছাড়া জুনের বেতন পেলেও ঈদের আগেই চলতি জুলাইয়ের বেতন-বোনাস প্রাপ্তির দাবি জানিয়ে আসছেন রাজশাহীর বেসরকারী কলেজ শিক্ষকরা।

সূত্রমতে, রাজশাহী জেলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৯১১টি। এতে কর্মরত রয়েছেন ৩ হাজার ৭৮৯জন শিক্ষক-শিক্ষিকা। রেজিস্টার্ড ৪৭৭টি স্কুলে কর্মরত রয়েছেন ১ হাজার ৯০৭ শিক্ষক-শিক্ষিকা। অন্যদিকে, ১৯৭টি এবতেদায়ী ও ৪২টি দাখিল মাদ্রায় কর্মরত রয়েছেন যথাক্রমে ৬৪৬জন ও ৬৫২জন শিক্ষক-শিক্ষিকা। আর ৩০টি জুনিয়র ও ২১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর কর্মরত রয়েছেন আরো যথাক্রমে ১৭৫জন ও ২ হাজার ৩৬৭জন। আনুমানিক ৩ হাজার শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন জেলা ১২৭টি কলেজে।

যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কাসেম জানান, এরই মধ্যে শিক্ষকরা তাদের বোনাস পেয়েছেন। ঈদের আগে তাদের বেতন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। শিগগিরই তারা বেতনও পেয়ে যাবেন বলে জানান তিনি।

Need Ads
error: কপি হবে না!