ads

শনিবার , ২৪ মে ২০১৪ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মহাদেবপুরে বোরো উত্পাদনে নতুন রেকর্ড : আনন্দের বন্যায় ভাসছেন কৃষাণ-কৃষাণী

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২৪, ২০১৪ ১২:১০ অপরাহ্ণ

Mohadevpur Picture_22-05-2014মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে বোরো উত্পাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বোরো ধানচাষের পুরো মৌসুম জুড়ে প্রত্যাশার চেয়েও ভাল আবহাওয়া বিরাজ করায় শুধু বাম্পার ফলন নয়, দ্বিগুন বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রত্যাশার চেয়েও অধিক ফলন পাওয়ার আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েছেন কৃষাণ-কৃষাণী। বিগত কয়েক বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা প্রতিকূলতায় হাসিমাখা মুখে এত অধিক পরিমাণ ফলন কৃষক ঘরে তুলতে পারেনি বলে জানান সংশ্লিষ্ট চাষীরা। প্রকৃতিতে কাঠফাটা রোদ্রে মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থার সৃষ্টি হলেও এ আবহাওয়া বোরো আবাদের জন্য আশির্বাদ হয়েছে বলে জানান কৃষি সংশ্লিষ্টরা। আর এ কারণেই এখানকার কৃষাণ-কৃষাণীর ঘরে-ঘরে বইছে আনন্দের বন্যা। আবহাওয়া প্রত্যাশার চেয়েও ভাল থাকায় চলতি মৌসুমে এখানে প্রতিবিঘা জমিতে ২৫ থেকে ৩০ মণ হারে ধান হয়েছে। সব মিলিয়ে এখানে প্রতিবিঘা জমিতে গড়ে ২৫ মণ হারে ফলন হয়েছে বলে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়। শুধু ভাল ফলনই নয়, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ধানের নায্য মূল্যও পাচ্ছেন কৃষকরা। স্থানীয় হাটবাজারে এখন প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। এক বিঘা জমিতে উৎপাদিত ৩০ মণ ধান বিক্রি থেকে কৃষক পাচ্ছেন ২৪ হাজার টাকা। চলতি মৌসুমে এক বিঘা জমিতে বোরোচাষ করতে বীজ, সার, সেচ, কীটনাশকসহ খরচ পড়েছে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম মফিদুল ইসলাম জানান, এখানে কৃষকরা চলতি মৌসুমে ২৭ হাজার ৬৮০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ করেন। এ পরিমাণ জমি থেকে ১ লক্ষ ৭২ হাজার ৭২৩ মেঃটন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধান উৎপাদন হয়েছে ১ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৯৬ মেঃটন যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী ২৬ হাজার ৫৭৩ মেঃটন। এ পরিমাণ ধান থেকে ১ লক্ষ ৩২ হাজার ৮৬৪ মেঃটন চাল তৈরী হবে যা স্থানীয় বার্ষিক চাহিদার কয়েকগুন বেশী।

Need Ads
error: কপি হবে না!